kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


যশোরে ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা খুন

বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর   

২৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



যশোরে ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা খুন

যশোর শহরের লোহাপট্টি এলাকায় গত বুধবার রাতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক বিএনপি নেতা খুন হয়েছেন। তাঁর নাম ফেরদৌস হোসেন (৫২)। তিনি জেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক। এলাকায় একটি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল তাঁর। এ জন্য বিরামপুরের নিজ বাড়ি ছেড়ে শহরে বসবাস করতেন তিনি। এ ঘটনায় দলের নেতাকর্মীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার লাশ নিয়ে মিছিল করেছে বিক্ষুব্ধ কর্মীরা। গতকাল সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাঁর গ্রামের বাড়ি বিরামপুরের একটি প্রভাবশালী মহলের ভয়ে তিনি তিন বছর ধরে যশোর শহরের লোহাপট্টি এলাকায় বাস করছেন। এর মধ্যে গত বুধবার রাত ১০টার দিকে ফারুক নামের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বাগিবতণ্ডা হয়। এরপর একপর্যায়ে ফেরদৌসকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ফারুক। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ১০টা ১৫ মিনিটে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

গতকাল সকালে ফেরদৌসের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী উঠেছে। এ সময় স্ত্রী নাজমুন নাহার মুক্তি বলেন, ‘জীবন বাঁচানোর জন্য তিনি সন্ত্রাসীদের ভয়ে তিন বছর ধরে বাড়িছাড়া। কিন্তু তার পরও বাঁচতে পারলেন না। লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। এই সমাজে বিচার নেই। সরকার কি এর বিচার করবে?’ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু বলেন, ‘ফেরদৌস ভয়ভীতির কারণে নিজ বাড়িতে থাকতে পারেননি। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। পুলিশই বলতে পারবে কারা কী কারণে ফেরদৌসকে হত্যা করল। ’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ চলমান দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ফেরদৌসের ভূমিকা ছিল। কেন কারা তাঁকে খুন করল, তা উদ্ঘাটন করা হোক। খুনির বিচার হোক। ’


মন্তব্য