kalerkantho


স্থানান্তরে গাফিলতি

১০ ট্যানারি মালিককে হাইকোর্টে তলব

এম বদি-উজ-জামান ও ফারজানা লাবনী   

২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



আদালত অবমাননার অভিযাগে ১০ ট্যানারি মালিককে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতে হাজির হয়ে তাঁদের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) আবেদনের শুনানির পর এ আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

যে ১০টি ট্যানারির মালিকদের তলব করা হয়েছে সেগুলো হলো রানা লেদার, জুলেট এন্টারপ্রাইজ, পূবালী ট্যানারি, রুমি লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ, সালাম ট্যানারি, মেসার্স করিম লেদার ইউনিট-২, মেসার্স মাহিন ট্যানারি, মেসার্স নবীপুর ট্যানারি, মেসার্স এশিয়া ট্যানারি ও মেসার্স প্যারামাউন্ট ট্যানারি।

রাজধানীর হাজারীবাগের কোনো ট্যানারিতে ১ এপ্রিল থেকে কাঁচা চামড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদের দূষণরোধে গত রবিবার  সচিবালয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও এ বিষয়ে এখনো হাজারীবাগের কোনো ট্যানারির মালিককে জানানো হয়নি।

 

হাইকোর্ট ২০০১ সালে এক রায়ে ট্যানারিশিল্প হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। ২০০৯ সালের ২৩ জুন আদালত আরেক আদেশে ২০১০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্প স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। তবে সরকারপক্ষের আবেদনে ওই সময়সীমা কয়েক দফা বাড়ানো হয়। বর্ধিত সময় শেষ হয় ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল। এর পরও ট্যানারি স্থানান্তর না করায় এইচআরপিবি আদালত অবমাননার অভিযোগ আনে। ট্যানারি স্থানান্তরে নির্দেশনা অমান্য করায় আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে শিল্পসচিবসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

২০১৫ সালের ২১ এপ্রিল শিল্পসচিব আদালতে হাজির হয়ে জানান, ১০ জন ট্যানারি মালিক স্থানান্তরের বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা মানছেন না। এই পরিপ্রেক্ষিতে ওই মালিকদের বিরুদ্ধে আদালত অবমননার অভিযোগ দাখিল করা হয়। ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিশ জারি করা হয়।


মন্তব্য