kalerkantho

বুধবার । ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ । ১২ মাঘ ১৪২৩। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮।


বড়াইগ্রামে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন

চাঁদপুরে স্বামীর কারাদণ্ড

নাটোর ও চাঁদপুর প্রতিনিধি   

২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নাটোরের বড়াইগ্রামে ভ্যানচালক মোজদার সরদার হত্যা মামলায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজাউল করিম এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বড়াইগ্রামের হারোয়ার আমতলা এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে ভ্যানচালক মোজদার সরদারের সঙ্গে দেলোয়ার হোসেনের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন তাঁর হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে মোজদারকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। পরে নিহতের স্ত্রী লতা বেগম দেলোয়ার হোসেনকে আসামি করে বড়াইগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় স্বাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বুধবার দুপুরে আদালতের বিচারক দেলোয়ার হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

এদিকে চাঁদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করার দায়ে স্বামী ফারুক খানকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রমনী রঞ্জন চাকমা এ রায় দেন। ফারুক খান চাঁদপুর সদরের রামদাসদী গ্রামের মৃত কামাল খানের ছেলে।

জানা গেছে, ২০১১ সালের ২০ মার্চ উপজেলার বাগাদী গ্রামের শেখবাড়ির মমতাজ শেখের মেয়ে পারভীন আক্তারের সঙ্গে ফারুকের বিয়ে হয়। বিয়ের সাত-আট দিন পর থেকেই দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবি করে আসছিল ফারুক ও তাঁর পরিবার। এ নিয়ে পারভীনকে নির্যাতন করা হয়। পরে ফারুক তাঁর অন্য স্ত্রী লাকী বেগমসহ পারভীনকে মারধর এবং মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর চিত্কার শুনে লোকজন ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে গৃহবধূকে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ফারুক খান এবং তাঁর অন্য স্ত্রী লাকী বেগমকে আসামি করে শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন নির্যাতিতা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) মোস্তফা চৌধুরী ২০১১ সালের ৬ আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন পেশ করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার দুপুরে আসামি ফারুক খানকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। অন্য আসামি লাকী বেগমকে খালাস দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য