kalerkantho


৬ ভুলে চাকরি খোয়াতে পারেন

২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



৬ ভুলে চাকরি খোয়াতে পারেন

১. বেশি প্রতিশ্রুতি কিন্তু কম পারফরম্যান্স : চাকরিতে প্রবেশের আগে বহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু তার খুব বেশি পালন করা হয়ে ওঠেনি। ওই চাকরির শর্ত পালন আপনার পক্ষে সম্ভব হোক বা নাই হোক, প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সময় সচেতন থাকা উচিত। যদিও এটি বড় অপরাধ নয়। কিন্তু ঝামেলা হতেই পারে।

২. নেতিবাচক মনোভাব : আপনাকে চাকরি দেওয়া হয়েছে বস ও বিভাগের কাজ আরেকটু সহজ করতে। কাজেই এখানে ইতিবাচক মনোভাব থাকতে হবে আপনার। বিভাগের নানা অসংগতি, সহকর্মীদের আচরণ বা বেশি দায়িত্ব পালন-সংক্রান্ত বিষয়ে ক্রমাগত অভিযোগ আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন করে। যে কাজের দায়িত্ব আপনার ওপর বর্তায়, তার বাইরেও খুঁটিনাটি কাজ করতে হয়। এগুলো আপনার পারফরম্যান্স ও ইতিবাচক মানসিকতা স্পষ্ট করে।

৩. ব্যক্তিগত কাজে প্রচার : সন্তানের স্কুলের অনুরোধে কিছু অর্থ সহায়তা দিতে সহকর্মীদের ইমেইল করে বসলেন। অথবা বাড়ির পার্টিতে নিমন্ত্রণ পাঠাতে প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ব্যবহার করলেন। এসব কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ভঙ্গ করা হয়। এগুলো কোনোভাবেই পছন্দ করেন না বস বা প্রতিষ্ঠান।

 

৪. ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের অভাব : হতে পারে কর্মক্ষেত্রে আপনি মোটেও সুখী নন। অথবা সহকর্মীদের একদমই পছন্দ করেন না। কিন্তু এগুলো চেহারায় প্রকাশ পাওয়া উচিত নয়। যদি বস আপনার দিকে তাকিয়েই বুঝতে পারেন যে আপনি চরম বিরক্ত, তবে ক্ষতি অন্য কারো হবে না। আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারাটা বোকামির নামান্তর। গোটা বিভাগ এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হবে এতে।

৫. প্রতিষ্ঠানের উৎস বা সম্পদের অপব্যবহার : অফিসের প্রিন্টের জন্য রাখা কাগজের একটা প্যাকেট বাড়িতে নেওয়ার আগে অনেকেই কিছু চিন্তা করেন না। আবার কাউকে উপহার পাঠাতে অফিসের কুরিয়ার ব্যবহার করে ফেললেন। এসব কাজ প্রতিষ্ঠানের উৎস ও সম্পদের অপব্যবহারের নমুনা। এটা সচেতনভাবে না করলেও দোষটা ঘাড়ে নিতেই হবে। এমনকি ভবিষ্যতে আপনি বড় কিছু সরিয়ে ফেলতে পারেন বলে সন্দেহ করতে পারে কর্তৃপক্ষ।

৬. দায়িত্বপ্রাপ্ত না হয়েও কম্পানির হয়ে কথা বলা : কম্পানির অনুমোদনহীন কোনো বিবৃতি দেওয়া বা প্রাতিষ্ঠানিক টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজের মতো টুইট করা নীতির মধ্যে পড়ে না। এ ধরনের কাজে প্রতিষ্ঠান আপনাকে ছাঁটাই করতেও পারে। আবার কোনো সভায় যখন আপনার মুখের সামনে মাইক্রোফোন দিয়ে কিছু বলার অনুরোধ করা হয়েছে, তখন ইচ্ছেমতো কম্পানি ও কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করার মতো অস্বস্তিকর কাজও করা উচিত নয়।

ফোর্বস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য