kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


পানি দিবসে বিশেষজ্ঞরা

উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়াতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এখনই ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ওয়ালী উল্লাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের পলিসি সাপোর্ট ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক কাজী আবদুল নূর, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি অ্যাডওয়ার্ড বেগবেদার। দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেন পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক আনোয়ার জাহিদ।

আনোয়ার জাহিদ প্রবন্ধে বলেছেন, গত তিন দশকে দেশে অগভীর নলকূপ বসানোর হার বেড়েছে প্রায় শতভাগ। ১৯৮৫ সালে সারা দেশে অগভীর নলকূপ ছিল এক লাখ ৩৩ হাজার। ২০১৩ সালে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখেরও বেশি। তিনি আরো বলেন, দেশে এখনো ১৬ শতাংশ মানুষ সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত। এদের সবাই খেটে খাওয়া মানুষ।

সচিব আবদুল মালেক বলেন, শুধু রাজধানীবাসীর জন্য নয়, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ অন্যান্য জেলায়ও সুপেয় পানির জন্য প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ৮০ হাজার পানির উৎস স্থাপন করা হবে।

তাকসিম এ খান বলেন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে পদ্মা ও মেঘনা নদী থেকে পাইপের মাধ্যমে পানি এনে তা শোধন করে রাজধানীতে দেওয়া হবে।

সেমিনারে বলা হয়, দেশের ৮০ শতাংশ পানি ব্যবহার হয় ভূগর্ভ থেকে। আর মাত্র ২০ শতাংশ ব্যবহার হয় উপরিভাগ থেকে। অথচ হওয়ার কথা ছিল ঠিক এর উল্টো। সারা দেশে এখন বোরো ধানের আবাদ চলছে, সেখানে ব্যবহার হচ্ছে ভূগর্ভের পানি। খাবার পানি, রান্না, গোসল ও দৈনন্দিন কাজেও ব্যবহার হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানি।


মন্তব্য