kalerkantho


অভিযোগ গঠনের ব্যাপারে তারেকের আবেদন খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ও নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অভিযোগ গঠনের ব্যাপারে তারেকের আবেদন খারিজ

নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় করা আরেক মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে আসামি তারেক সাঈদের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। আগেও একটি মামলায় তাঁর অনুরূপ আবেদন খারিজ করা হয়।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার খারিজের এ আদেশ দেন। আবেদনটি ‘উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ’ করেন আদালত।

এ মামলার বাদী ওই ঘটনায় নিহত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কমিশনার নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি।

গতকাল আদালতে তারেক সাঈদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন গোলাম কিবরিয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর।

সাত খুনের ঘটনায় করা দুই মামলাতেই অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিলের জন্য তারেক সাঈদের আবেদন খারিজ হলো। নিহত আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারের জামাই ডা. বিজয় কুমার পালের করা মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে তাঁর আবেদন গত ১৫ মার্চ খারিজ করে হাইকোর্ট।

গতকাল আদেশের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবীর সাংবাদিকদের বলেন, নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলা চলতে এখন আর আইনগত বাধা নেই।

পিপির অব্যাহতি চাইলেন বাদী

এদিকে নারায়ণগঞ্জের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকনের অব্যাহতি দাবি করেছেন সাত খুন মামলার বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি। গতকাল তিনি পুলিশ সুপারের কাছে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করেন। অন্যদিকে বাদী ও বিবাদীপক্ষের দুজন আইনজীবী ‘হত্যার হুমকি’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে আইনজীবী সমিতিতে নালিশ করেছেন। বাদীর আবেদন প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘পিপিকে অব্যাহতি প্রদানের বিষয়টি আমার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। ’

নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি সাত খুন ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার বাদী। তিনি দাবি করেছেন, পিপি অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন প্রধান আসামি নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি সাক্ষ্য প্রদানের সময় বাদীকে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করেছেন। আসামিদের রক্ষা করে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করছেন। ফলে মামলাটি প্রমাণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, তাঁর সহযোগী মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তাঁর গাড়িচালক ইব্রাহিম অপহূত হন। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের লাশ এবং ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও চন্দন কুমার সরকারের জামাই ডা. বিজয় কুমার পাল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় আলাদা মামলা করেন।


মন্তব্য