kalerkantho


প্রাণোচ্ছল হতে...

২১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রাণোচ্ছল হতে...

১. অতীত শিক্ষক : এ ধরনের মানুষ অতীতকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহণ করেন। এসব শিক্ষা কখনো ফেলে দেন না।

কারণ ভুলই শিক্ষার আসল উত্স। অতীত তাঁদের ক্রমে দক্ষ করে তোলে।

২. দায়িত্ব : তাঁরা জীবনের বেশির ভাগটুকুই নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। ধৈর্য, ইতিবাচক মানসিকতা, দয়াশীলতা এবং নেটওয়ার্কিংয়ের চর্চা তাঁদের প্রাণোচ্ছল করে তোলে। ভাগ্যের ওপর খুব বেশি নির্ভরও করেন না তাঁরা। ব্যর্থতা ও সফলতা—দুটিরই দায়ভার তুলে নেন নিজ কাঁধে।

৩. ভালোকে প্রাধান্য : কোন বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতার মধ্যে থাকতে হবে বা কোনগুলো বাতিল করতে হবে, তা খুব ভালো বোঝেন প্রাণোচ্ছল মানুষেরা। ভালোকে বেছে নিতে পারেন তাঁরা।

৪. অন্যের জন্য সুখী : তাঁরা সেই সব মানুষের চারদিকে থাকেন যাঁরা তাঁদের চেয়ে অনেক বেশি সফল ও প্রাণোচ্ছল।

অন্য মানুষের সুখ তাঁদেরও সুখী করে তোলে।

৫. সুখের ভাষা থাকে : পরিস্থিতি ভালো না থাকলেও তা নিয়ে মনমরা হয়ে থাকেন না। নিজের সম্পর্কে খুব বেশি অভিযোগ নেই তাঁদের। কেননা এ স্বভাব মানুষকে অধঃপতনের দিকে নিয়ে যায়।

৬. নিজের প্রতিযোগী : পদবি বা সমাজে উঁচু অবস্থানের জন্য অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামেন না তাঁরা। প্রতিযোগিতায় তাঁদের প্রতিপক্ষ নিজেই। তাঁরা লক্ষ্য নিয়ে চলেন এবং গন্তব্যে পৌঁছতে নিজের সঙ্গে লড়াই করে যান।

৭. দূরদৃষ্টি : ভালোবাসা, জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনায় আবদ্ধ হয়ে থাকেন না। যেকোনো বিষয় দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়ার চেষ্টা করেন। লক্ষ্য নির্ধারণে সচেষ্ট থাকেন।

৮. কৃতজ্ঞতাবোধ : বুদ্ধিমত্তা, যোগ্যতা, কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং সততার মাধ্যমে যেকোনো কিছু জয় করা যায় বলে বিশ্বাস তাঁদের। আবার আশীর্বাদপুষ্ট হলেও তা নজর এড়ায় না। গন্তব্যের দিকে ছুটতে প্রয়োজনে তাঁরা যেকোনো মানুষের সহায়তা নিয়ে থাকেন।

হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে

সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য