kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ । ৬ মাঘ ১৪২৩। ২০ রবিউস সানি ১৪৩৮।


দুটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের খসড়া বিলের প্রতিবেদন চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষা, গবেষণা ও সেবার মান এবং সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ঘোষিত দুটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খসড়া বিলের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। চট্টগ্রাম ও রাজশাহী মেডিক্যালে উচ্চতর শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় দুটি স্থাপন করা হবে। ওই দুটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডিগ্রি বা অন্য কোনো সম্মাননা প্রদান, ফেলোশিপ, স্কলারশিপ, পুরস্কার ও পদক প্রবর্তন এবং বিদ্যান ব্যক্তিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক উদ্যোগ নেবে।

 

গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ‘চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০১৬’ ও ‘রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০১৬’ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজনসহ সংসদে উপস্থাপনের জন্য প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, মো. ইউনুস আলী সরকার, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ ও সেলিনা বেগম এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিল দুটিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হবেন। চ্যান্সেলর বা মনোনীত কোনো ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ডিগ্রি ও সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্য থেকে নির্ধারিত শর্তে অথবা চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যাপনায় পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে চার বছর মেয়াদের জন্য ভাইস চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ করবেন। একই ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি ভাইস চ্যান্সেলর পদে থাকতে পারবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন, সার্জারি, বেসিক সায়েন্স ও প্যারা ক্লিনিক্যাল সায়েন্স, ডেন্টাল, নার্সিং, বায়ো টেকনোলজি ও বায়ো মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল টেকনোলজি এবং প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন অনুষদ থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন সিন্ডিকেটের নির্দেশ অনুসারে তৈরি করতে হবে এবং পরবর্তী শিক্ষা বছর শেষ হওয়ার আগেই তা মঞ্জুরি কমিশনের কাছে পেশ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক হিসাব ও ব্যালেন্স শিটও মঞ্জুরি কমিশনের মনোনীত কর্তৃপক্ষ থেকে নিরীক্ষিত হতে হবে।


মন্তব্য