kalerkantho

সোমবার । ১৬ জানুয়ারি ২০১৭ । ৩ মাঘ ১৪২৩। ১৭ রবিউস সানি ১৪৩৮।


চট্টগ্রামে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ

‘মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিয়েছে আ. লীগ’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অতীতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মসজিদ-মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়ার রব তোলা হলেও এ দলটিই মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’ স্লোগান দিয়ে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য কিছুই করেনি। বাংলাদেশকে ওআইসির (অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) সদস্য করা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্ব ইজতেমার মতো আয়োজনগুলো বঙ্গবন্ধুই করেছিলেন।

গতকাল শনিবার দুপুরে নগরীর একটি কনভেনশন হলে ‘মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ’ শীর্ষক আলোচনা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারই আলেমদের শতবর্ষের দাবি একটি ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। শুধু তাই নয়, আমরা এক হাজার ১০০টি নতুন ভবন নির্মাণ, ৩১টি মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালু ও মাদ্রাসার জন্য একটি আধুনিক যুগোপযোগী পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করেছি—যা ইসলাম রক্ষার কথিত ধ্বজাধারীরা কখনো করেনি। ’

নতুন এ আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ইসলাম নিয়ে গবেষণা, নতুন জ্ঞান অনুসন্ধানসহ ইসলামের সমুজ্জ্বল ভাবমূর্তি রক্ষায় কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষামন্ত্রী। সম্প্রতি প্রণয়ন করা পাঠক্রমে নৈতিক শিক্ষার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এর ভিত্তি ইসলাম হবে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী আরো বলেন, ‘মেডিসিন, অ্যাস্ট্রোনমি ও গণিতসহ নানা ক্ষেত্রে ইসলাম একসময় যে অবদান রেখেছে সে ধারায় ফিরতে পরকালের পাশাপাশি জাগতিক জ্ঞান অন্বেষণেও আলেমদের এগিয়ে আসতে হবে। ’

আলোচনা সভা ও কর্মশালায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৩১০টি ফাজিল ও ৫৬টি কামিল মাদ্রাসার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ। সভায় অন্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়েফ উল্লাহ, বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদাররেসিনের মহাসচিব শাব্বির আহমদ মোমতাজী ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যায়ের সিন্ডিকেট সদস্য মুহাম্মদ হুছামুদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য