kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


মণিরামপুরের সব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

ফখরে আলম ও বাবুল আকতার মণিরামপুর থেকে   

২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মণিরামপুরের সব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের সব কটিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। ফলে আগামী ২২ মার্চ প্রথম ধাপের এ নির্বাচনে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুরু থেকেই এসব ইউনিয়নে প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা হয়েছে। এতে একজন নিহতসহ অন্তত ১০০ আহত হয়েছে। এ ছাড়া আগুন, ভাঙচুর, গুলি, বোমাবাজির ঘটনাও ঘটেছে। ফলে নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে রয়েছে আতঙ্ক-শঙ্কা।  

মণিরাপুর থানার ওসি তাহেরুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে মণিরামপুরের ১৫০টি কেন্দ্রকেই আমরা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছি। এর মধ্যে ১০০টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনের জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মশ্মিমনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হোসেন ও বিএনপির প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এম এ গফুরের সমর্থকদের মধ্যে গত ১৭ মার্চ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন চালুয়াহাটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল ইসলাম ও বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল হামিদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সহসভাপতি মুনসুর আলী নিহত হন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল ইসলামের অভিযোগ, বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল হামিদের নেতৃত্বেই মুনসুর আলীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে আব্দুল হামিদ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ছাড়া গত ১২ ও ১৩ মার্চ খেদাপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল আলিম জিন্না ও বিদ্রোহী প্রার্থী মুজিবুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মণিরামপুরের ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৬টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মামলার কারণে একটি ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে না। ১৬টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ১৬ জন করে প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চারজন, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দুজন আর জামায়াতের ১০ জন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

গত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ১৭ ইউনিয়নের মধ্যে ১৩টিতে বিএনপি, তিনটিতে আওয়ামী লীগ ও একটিতে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, ‘নৌকা প্রতীক নিয়ে এবার প্রথম ইউপি নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীরাই জয়লাভ করবেন বলে আমার বিশ্বাস। ’


মন্তব্য