kalerkantho


তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ দক্ষ জনশক্তির অভাব : জয়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের আরো উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তির অভাবকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গত বৃহস্পতিবার জার্মানিতে সিইবিআইটি পডকাস্টকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি এ কথা বলেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘দক্ষ জনশক্তি স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশ প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত আইটির শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে পারছে না। এ বিষয়টি মাথায় রেখে আমাদের সরকার তিন বছরের মধ্যে ৭৫ হাজার আইটি প্রফেশনালকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ’

সেন্টার ফর অফিস অটোমেশন, ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (সিইবিআইটি) প্রদর্শনীতে যোগদানে জয় বর্তমানে জার্মানির হ্যানোভারে অবস্থান করছেন।

বহুল আলোচিত হ্যাকিং ইস্যু সম্পর্কে জয় বলেন, বাংলাদেশে সংঘটিত হ্যাকিংয়ের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা বলা কঠিন। তবে ক্যাস্পারেস্কি গ্রুপের মতে, হ্যাকারদের টার্গেটের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এক নম্বরে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের কারণেই এটি ঘটেছে। আমরা সরকারি সেবাসমূহকে ডিজিটালাইজড করছি। ’

জয় বলেন, ‘হ্যাকারদের প্রতিরোধে আমরা আমাদের সিস্টেমকে ভার্সন-২-এ হালনাগাদ করছি। কারণ আমাদের আইটি সিস্টেমের অধিকাংশই এখনো ভার্সন-১-এ রয়েছে।

’ তিনি বলেন, ‘আমরা যখন আইটিব্যবস্থার সূচনা করি তখন দেশে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ ছিল না। আমাদের ১০ গুণ বেশি মূল্যে বিদেশি বিশেষজ্ঞ আনতে হয়েছে। ’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ ডিজিটালাইজেশন হয়েছে স্থানীয় কম্পানিগুলো দ্বারা। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংক ডিজিটালাইজেশন হয়েছে একটি বিদেশি কম্পানির মাধ্যমে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের একটি প্রকল্পের আওতায় একটি বিদেশি কম্পানি বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটালাইজড করেছে। এখানেই প্রথমবারের মতো বড় ধরনের হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু অন্যান্য সরকারি সেবায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। সূত্র : বাসস।


মন্তব্য