kalerkantho


ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে কফি

আমাদের দেশে চা পানকারীর সংখ্যার তুলনায় কফি পানকারীর সংখ্যাটা অনেকটা কম। দেশের আনাচে-কানাচে চায়ের দোকান পাওয়া যায়। আর সেখানে সব সময় দু-একজন চা পানকারী পাওয়া যায় না—এমন দৃশ্য বিরল। সে তুলনায় কফির দোকান যেমন কম, তেমনি অভিজাত দোকানে ছাড়া কফিও পাওয়া যায় না। এ কারণে অনেকে কফি এড়িয়ে চলেন। কিন্তু পরিমাণমতো কফি পান যে কত উপকারী তা একটু জেনে নেওয়া যাক।

১৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে কফি

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় কফি : কফি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শুধু একটা পানীয় তা কিন্তু নয়। এটা যেমন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে তেমনি হৃদরোগ ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

কফি টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় : যাঁরা অতিরিক্ত কফি পান করেন (দিনে ছয় বা তার বেশি কাপ) তাঁদের টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার শঙ্কা কম থাকে।

গলস্টোনের ঝুঁকি কমায় : পরিমিত কফি পান মহিলাদের গলস্টোনের ঝুঁকি কমায়। পুরুষদের জন্য যে উপকারী নয়, তা কিন্তু না। পুরুষদের গলব্ল্যাডারের ঝুঁকি কমায়।

কফি হজম শক্তি বাড়ায় : কখনো কি লক্ষ করেছেন সকালে বাথরুমে যাওয়ার আগে এক বা দুই কাপ কপি পানের পরও পেটে কোনো সমস্যা হয়নি। আসলে কফি হজমেও সহায়ক।

কফি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় : নিয়মিত কফি পানে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৫ ভাগ কমিয়ে দেয়। লিভার ক্যান্সারেরও ঝুঁকি কমায় কফি।

কফি চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে : কফি খেলে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়।

এ কারণে অনেকেই কফি এড়িয়ে চলেন। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু ভেবে দেখা উচিত। কেননা চর্বি কমানোর জন্য যখন ব্যায়াম করা, তখন কফি পান উপকারী। কেননা কফি চর্বি কমাতে সহায়তা করে।

কফি মাথাব্যথা প্রতিরোধ করে : কফি পান মাইগ্রেনের সমস্যায় দারুণ কার্যকরী।


মন্তব্য