kalerkantho


ফতুল্লায় স্কুল ছাত্রীর বাবা খুন

আসামিদের দায় স্বীকার, আরো এক আসামি রিমান্ডে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার রঘুনাথপুরে অপহরণের সময় মেয়েকে রক্ষা করতে গিয়ে বাবা খুন হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আট আসামির মধ্যে তানভীর নামে আরেক আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কে এম মহিউদ্দিন এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মনীন্দ্র অধিকারী (৪৫) হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া ছয় আসামি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। আসামিদের দাবি, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল মনীন্দ্র অধিকারীর মেয়ে ঝর্ণা রানীকে তুলে নিয়ে যাওয়া। আর কেউ বাধা দিলে তাকে ভয় দেখানো। এ জন্য তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছিল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক জানান, গ্রেপ্তারকৃত আট আসামির মধ্যে গত বুধবার রিমান্ডে নেওয়া হয় নজরুল ইসলাম (৩৫), মনিরুল ইসলাম মনির (৩৪), জাহিদ (২০), অ্যালবার্ট সুশান্ত (১৯), জুয়েল (২৫) ও বাবু (২১)। তাঁরা জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন ঘটনার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে পুরো আদ্যোপান্ত স্বীকার করেছেন। বাকিরা বলছেন তাঁরা পুরো বিষয় জানতেন না।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আরেক আসামি তানভীরকে গতকাল তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারকৃত অন্য আসামি ঘটনার সময়ে পিটুনিতে আহত হৃদয় বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুরে ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলার বাদী ও নিহত মনীন্দ্র অধিকারীর স্ত্রী প্রজাপতি রানী রায়ের দায়ের করা মামলায় ১০ আসামির মধ্যে তুহিন ও সবুজ নামে দুজন পলাতক রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার ভোরে রঘুনাথপুর এলাকায় মনীন্দ্র অধিকারীকে হত্যা করা হয়। তিনি সপরিবারে এলাকার এনামুল হক এনামের বাড়ির ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাঁর মেজ মেয়ে ও স্থানীয় হাজি পান্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করতে গেলে তিনি বাধা দিয়েছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনীন্দ্র অধিকারীকে হত্যা করে।


মন্তব্য