kalerkantho


আলোচনা সভায় তথ্য

মাতৃদুগ্ধ পান কমছে, শিশুখাদ্য উত্পাদনকারীরা আগ্রাসী

১৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



গত কয়েক বছরে দেশে শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পানের হার কমেছে। বিপরীতে গুঁড়া দুধ খাওয়ানোর হার বিপজ্জনকভাবে বেড়ে চলেছে। দেশের পুষ্টিবিদদের ঐক্যের অভাবে গুঁড়া দুধ ও শিশুখাদ্য উত্পাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের আরো কার্যকর উদ্যোগ এবং নতুন আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘চাইল্ড নিউট্রিশন ও বিএমএস অ্যাক্ট ২০১৩’ শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের আলোচনা সভায় এসব তথ্য ও অভিমত তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা কর্মসূচির পরিচালক ড. কাওসার আফসানা। আলোচনা করেন বাংলাদেশ পিডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ, আইপিএইচএন পরিচালক ডা. এ বি এম মাজহারুল ইসলাম, অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সভাপতি অধ্যাপক রওশান আরা বেগম, ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেইঞ্জ বিভাগের কর্মসূচি সমন্বয়কারী সদরুল হাসান মজুমদার। অনুষ্ঠানে মাতৃদুগ্ধ-বিকল্প সংক্রান্ত আইন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) সভাপতি ডা. এস কে রায়। অনুষ্ঠানে একটি সমীক্ষার ফল তুলে ধরেন ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের গবেষক ফাহমিদা আক্তার।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে ২০১১ সালে সদ্যজাত থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোর হার ছিল ৬৪ শতাংশ। গত চার বছরে ৯ শতাংশ কমে বর্তমানে তা ৫৫ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে গুঁড়া দুধ খাওয়ানোর হার বিপজ্জনকভাবে বেড়ে চলেছে। মাতৃদুগ্ধ-বিকল্প ও শিশুখাদ্য বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার আইন ও নীতিমালা প্রণয়নে অনেকটা এগিয়ে গেলেও এর বাস্তবায়ন অনেক পিছিয়ে আছে।


মন্তব্য