kalerkantho

রবিবার। ২২ জানুয়ারি ২০১৭ । ৯ মাঘ ১৪২৩। ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৮।


প্রাথমিকের পাঠ্য বই মুদ্রণ

জটিলতা অবসানে সিপিটিইউর দ্বারস্থ হচ্ছে এনসিটিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের বরাত দিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, আগামী শিক্ষাবর্ষের বিনা মূল্যের পাঠ্য বই ছাপতে কোনো মুদ্রণকারীকে দুই লটের বেশি কাজ দেওয়া হবে না। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে এনসিটিবি। এখন আবার প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সরকারের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট ইউনিট-সিপিটিইউর দ্বারস্থ হচ্ছে তারা।

গতকাল মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিকের বই মুদ্রণের শর্ত নিয়ে সভা হয়েছে। এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, বিশ্বব্যাংক ও এনসিটিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের বই বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ছাপানো হয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন এ ক্ষেত্রে কার্যকর হবে কি না তা আগে জানতে হবে। অনুশাসনের শেষদিকে বলা হয়েছে, ‘একই সঙ্গে দুটি কাজ পেলে যথাসময়ে শুরু করতে পারলে এবং শেষ করবে নিশ্চিত হলে পরে আরো কাজ পাবে এরূপ বিধান সন্নিবেশ করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ’ এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজ দিতেও বাধা নেই বলেও অনুশাসনে বলা হয়েছে। তাই বিষয়টির পুরোপুরি ব্যাখ্যা জানতে সিপিটিইউর সহায়তা নিতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মূলত প্রাথমিকের বই ছাপার শর্তসমূহ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের প্রেক্ষিতে এনসিটিবির সিদ্ধান্তে কিছু ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। তা পরিষ্কার করতে সিপিটিইউর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ’

উল্লেখ্য, গত সোমবার কালের কণ্ঠে ‘৩৪ কোটি পাঠ্য বই মুদ্রণ, দরপত্রের আগেই বড় জটিলতা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


মন্তব্য