kalerkantho


‘জবাবদিহিতার অভাবে নারী নির্যাতন মামলায় দীর্ঘসূত্রতা’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নারী উন্নয়নের জন্য দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। যৌন হয়রানি রোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ ছাড়া জবাবদিহিতার অভাবে দেশে নারী নির্যাতনের মামলাগুলোর বিচার পেতে দীর্ঘসূত্রতা দেখা যায়। দ্রুত বিচার না হওয়ার কারণে নারীর প্রতি আরো অপরাধ বাড়ে।

‘ওমেন্স মুভমেন্ট অ্যান্ড ওমেন্স প্রগ্রেস’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন নারী নেত্রী খুশী কবির, আয়শা খানম, অ্যাডভোকেট সালমা আলী, মাসুদা খাতুন শেফালী, শিরিন হক ও সালমা খান। এ ছাড়া ছাত্র-শিক্ষকসহ নানা পেশার নারীরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নারীরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন। উত্তর দেন নারী নেত্রীরা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউএনওমেনের কর্মকর্তা দিলরুবা হায়দার।

আলোচনা সভায় বিশ্ব নারী দিবস ও বিশ্ব নারী আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়।

খুশী কবির বলেন, ‘যৌন হয়রানি এ দেশে আছে। দূর করার বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। সবাই মিলে কাজ করতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে। নারী-পুরুষের সমতা না থাকলে সুস্থ সমাজ হতে পারে না। ’ শিরিন হক বলেন, ‘নারীর উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। নারীর প্রতি যে সহিংসতা চলছে তা রোধে কাজ করে যাচ্ছি। ’

তাঁদের বক্তব্যের পর উপস্থিত নারীদের কাছ থেকে প্রশ্ন নেওয়া হয়। একজন জানতে চান, নারী নির্যাতনের মামলায় দীর্ঘসূত্রতা হয় কেন? দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে, সেগুলো থেকে কী ধরনের সাফল্য আসছে?

জবাবে সালমা আলী বলেন, সামাজিক ও প্রশাসনিক কারণে বিচারে দীর্ঘসূত্রতা হয়ে থাকে। তিনি আরো বলেন, যে আইন আছে তা নারীদের পক্ষে না। যৌন নির্যাতনের মামলা হয়। সেই মামলার বিচারের ক্ষেত্রে পুলিশের সদিচ্ছা না থাকলে সেই সমস্যা থেকে কোনো দিন বের হতে পারব না। তবে আশার দিকও আছে। নানা জায়গায় যৌন হয়রানিমুক্ত ও বাল্যবিয়ে বন্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।


মন্তব্য