kalerkantho


পদ্মা সেতু প্রকল্প প্রসঙ্গে বদিউজ্জামান

অহেতুক অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল ঋণের আশায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



‘অহেতুক অভিযোগ নিয়ে’ বিশ্বব্যাংকের চাপেই ঋণ পাওয়ার আশায় পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের মামলা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিদায়ী চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান। গতকাল রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার‌্যালয়ে নিজের ও এক কমিশনারের বিদায় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

মো. বদিউজ্জামান বলেন, ‘পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির বিষয়ে অহেতুক অভিযোগ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আমাদের লড়াই করতে হয়েছে। আমরা এই মামলার তদন্ত পর‌্যায়ে যতই গভীরে গিয়েছি ততই এই অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে মনে হয়েছে। ’ তিনি আরো বলেন, এই মামলা করলে বিশ্বব্যাংক ঋণ দেবে, পদ্মা সেতু নির্মিত হবে এবং দেশের উপকারে আসবে—এই ভেবে মামলাটি করা হয়েছিল। এই মামলায় দেশের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ন না হয়, তাই একজন দক্ষ কর্মকর্তা দ্বারা মামলার তদন্ত করা হয়েছিল। পরে তদন্তে অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মনে হওয়ায় এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।

বিদায়ী চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিগত পাঁচ বছর দুদকের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় কমিশন আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছে। এই পাঁচ বছর আমরা যে কাজ করেছি, তার মূল্যায়ন দেশবাসী করবে। ’

পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মো. বদিউজ্জামান ও কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু গতকাল শেষ দিনের মতো অফিস করেছেন। শেষ কার্যদিবসে দুজনকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে দুদক।

দুদক কার‌্যালয়ে গতকাল দুপুর ২টায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) নাসিরউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, গত পাঁচ বছর দুদক প্রভাবমুক্ত ও চাপমুক্তভাবে কাজ করেছে। তিনি বলেন, তাঁদের নেতৃত্বে কমিশন যেভাবে কাজ করেছে তা মনে রাখতে হবে। দুদকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রেশনিং সুবিধাসহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে তাঁদের নেতৃত্বে। তিনি বলেন, ‘আমরা দুর্নীতিবাজদের মনে একটু হলেও ভীতির সঞ্চার করতে পেরেছি। অনেক দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নিয়েছি। ’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন দুদকের মহাপরিচালক জিয়া উদ্দিন ও পরিচালক নাসিম আনোয়ার প্রমুখ।


মন্তব্য