নতুন চাকরিতে যা করতে মানা-335295 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০১৬। ১৬ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৮ জিলহজ ১৪৩৭


নতুন চাকরিতে যা করতে মানা

১৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নতুন চাকরিতে যা করতে মানা

১. পুরনো চাকরির মতো কাজ : আপনি জানেন, আগের কর্মস্থলে আপনি কী কী ভুল করেছেন। সেই ভুলগুলো শোধরাতে আপনি নতুন কর্মস্থলকে কাজে লাগাতে পারেন। কিন্তু সেখানেও একই ভুল করলে আপনি মোটেও প্রশংসা পাবেন না। আর খেয়াল রাখতে হবে, কোনো বিষয়ে অযথা পুরনো চাকরির দোহাই দেওয়া চলবে না।

২. নতুন কর্মস্থলের সমালোচনা : একটি কর্মস্থল থেকে আরেকটি কর্মস্থল ভিন্ন। এ ক্ষেত্রে নতুন কর্মস্থলে গিয়েই সেখানকার কর্মী বা কাজের পরিবেশ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা ঠিক হবে না। এতে কর্মস্থলে বিড়ম্বনায় পড়তে পারেন। তাই এসব বিষয় এড়িয়ে চলতে হবে।

৩. অযাচিত পরামর্শ : নতুন কর্মস্থলে গিয়ে সবার আগে তাদের কাজের ধারা সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি। কর্তৃপক্ষ কোনো বিষয়ে অনাগ্রহী হলে সে বিষয়ে পরামর্শ না দেওয়াই ভালো। অযাচিত কোনো পরামর্শ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৪. নিজের গুণকীর্তন : প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই আশা করে, নতুন কর্মীরা তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি নিজের গুণকীর্তন করেই সময় কাটান তাহলে তা কোনোভাবে গ্রহণীয় হবে না। আপনি কেমন কাজ করেন, তা বিচারের দায়িত্ব আপনার নয়, প্রতিষ্ঠানের।

৫. কর্তৃত্বপরায়ণ মনোভাব : নতুন কর্মস্থলে আপনি যত বড় পদেই অধিষ্ঠিত হন না কেন, অন্য কর্মীদের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। অন্য কর্মীদের প্রতি কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে উঠলে আপনার সুনাম নষ্ট হবে। এমনকি আপনি অন্যদের বিরাগভাজনও হয়ে উঠবেন।

৬. চাকরি নিয়ে হতাশা : আপনি যদি নতুন চাকরিতে ঢুকেই কোনো বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তাহলে তা কর্তৃপক্ষের বিরক্তির কারণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৭. বেতন নিয়ে কথা বলা : কোনো একটি চাকরিতে ঢোকার আগেই আপনাকে বেতন-ভাতা কিংবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। চাকরি শুরুর পরই এসব বিষয়ে কথা বলা কর্তৃপক্ষ ভালো চোখে দেখে না।

৮. ত্রাতা মনোভাব : একটি প্রতিষ্ঠানে আপনি যোগ দিয়েছেন সহকর্মীদের উদ্ধার করতে—এমন মনোভাব দেখানো যাবে না। নতুন প্রতিষ্ঠানে আপনার ভূমিকা হওয়া উচিত তাদের সহযোগীর মতো, ত্রাতার মতো নয়।

ফোর্বস অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব

মন্তব্য