তিনজনের মরদেহ ইউক্রেনে পাঠানোর-334937 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


কক্সবাজারে বিমান দুর্ঘটনা

তিনজনের মরদেহ ইউক্রেনে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



তিনজনের মরদেহ ইউক্রেনে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে

গত বুধবার দুর্ঘটনায় পড়া কার্গো বিমানটির ধ্বংসাবশেষ কক্সবাজারের নাজিরারটেক সংলগ্ন সাগরের ডুবোচরে পড়ে আছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগরে গত বুধবার বিধ্বস্ত কার্গো বিমানটির ধ্বংসাবশেষ ডুবোচরে পড়ে আছে। নিহত তিনজনের দেহ ইউক্রেনে পাঠানোর প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরেই কার্গো বিমানটি বিমানবন্দর থেকে সাত-আট কিলোমিটার পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের নাজিরারটেক সমুদ্র পয়েন্টে বিধ্বস্ত হয়। ইউক্রেন থেকে বেসরকারি বিমান সংস্থা ট্রু এভিয়েশনের আনা কার্গো বিমানটি চিংড়ি পোনা নিয়ে কক্সবাজার থেকে যশোরে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনায় ইউক্রেনের নাগরিক যথাক্রমে পাইলট ক্যাপ্টেন মুরাদ গাফারভ, কোপাইলট ইভান পেট্র ও ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার কুলিশ আন্দ্রে নিহত হন। আহত হন নেভিগেটর ভ্লাদিমার কুলতোনভ। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ইউক্রেনের বিমানটির এদেশীয় এজেন্ট মেসার্স ট্রু এভিয়েশন লিমিটেডের কক্সবাজার কমিশন এজেন্সির কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় সাগরে জোয়ার ছিল। এ কারণে সেখানে ডুবোচর তখন দেখা যায়নি। পরে সাগরে ভাটা হওয়ার পরই বিমানের ধ্বংসাবশেষগুলো দেখা যায়।’ তিনি বলেন, এসব উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হবে।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের হিমঘরে থাকা তিনজনের মরদেহ ইউক্রেনে পাঠানোর ব্যাপারে প্রাথমিক কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমানের স্থানীয় এজেন্ট।

তবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, নিহত তিনজনের পাসপোর্ট খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়টি ইতিমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগের পর মৃতদেহগুলো নিয়ে যা করণীয় তাই করা হবে।

মন্তব্য