kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় চার শ্রমজীবী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



রাজধানীতে গতকাল শুক্রবার পৃথক দুর্ঘটনায় চার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মিরপুর টেকনিক্যাল মোড় এলাকায় হাবিবুল্লাহ (২৩), যাত্রাবাড়ীতে কলিমউদ্দিন (৫৫) এবং খিলক্ষেতে পান্নু শিকদার (৫০) সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

এ ছাড়া বনানী রেলক্রসিংয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে মাসুদ রানা (৩৮) নামের এক রিকশাচালক নিহত হয়েছেন। তাঁদের লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

হাবিবুল্লাহর ভাই সফিউল্লাহ জানান, ভোররাতে তাঁদের ভগ্নিপতি বাসে পাবনা থেকে ঢাকায় আসেন। তাঁকে আনতে সাড়ে ৪টার দিকে টেকনিক্যালে যান হাবিবুল্লাহ। ভগ্নিপতিকে নিয়ে রিকশায় করে বাসায় ফেরার সময় পেছন থেকে একটি ট্রাক তাঁদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই হাবিবুল্লাহর মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, হাবিবুল্লাহর গ্রামের বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদীর সাহপাড়ায়। মগবাজারের আদ্ব-দীন হাসপাতালের এই কর্মচারী মিরপুরের দারুস সালাম এলাকায় থাকতেন।

গতকাল সকালে যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষে মাছ ব্যবসায়ী কলিম উদ্দিন মারা যান। এ ঘটনায় অটোরিকশার চালক কালু মিয়া গুরুতর আহত হন। তাঁকে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। কলিমউদ্দিনের ভাতিজা আল আমিন জানান, সকালে মাছ কেনার জন্য সিএনজি আটোরিকশায় করে যাত্রাবাড়ীতে যাচ্ছিলেন কলিমউদ্দিন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরে। গতকাল বিকেলে খিলক্ষেত কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পান্নু শিকদার নামের এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাড়ি মাদারীপুর সদর থানার খোয়াশপুর গ্রামে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বনানী রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন রিকশাচালক মাসুদ রানা। তাঁর স্ত্রী কহিনুর বেগম জানান, গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে বনানী রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের নিচে পড়ে মাসুদের এক হাত ও এক পা কাটা পড়ে। পথচারীরা উদ্ধার করে তাঁকে বনানী সিরাজ খালেদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। জানা গেছে, মাসুদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে। টঙ্গীর পূর্ব টেকপাড়ায় থেকে রিকশা চালাতেন তিনি।


মন্তব্য