যশোরে সমাবেশ করতে পারেনি জনযাত্রা-334915 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


যশোরে সমাবেশ করতে পারেনি জনযাত্রা

বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর   

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



যশোরে সমাবেশ করতে পারেনি জনযাত্রা

সুন্দরবন রক্ষার দাবিতে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির শুরু হওয়া জনযাত্রা গতকাল যশোরে পৌঁছায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় যশোরে সমাবেশ করতে পারেনি তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। সুন্দরবনের পাশে বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে জাতীয় কমিটির লংমার্চ জনযাত্রা গতকাল শুক্রবার যশোর পৌঁঁছেছে।

বাগেরহাটমুখী এই ‘জনযাত্রা’ গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে যশোর শহরের প্রবেশমুখ পালবাড়ী মোড়ে পৌঁছে। পুলিশ যশোর শহরে সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ায় পালবাড়ী মোড়েই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে জাতীয় কমিটি।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন কমিটির সদস্যসচিব আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেন, ‘যেহেতু সুন্দরবন বাংলাদেশকে বাঁচায়, তাই সুন্দরবনকে বাঁচানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সুন্দরবন বাঁচানোর এ লড়াই, সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।’

জাতীয় কমিটির যশোর জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহমুদ হাসান বুলু জানান, ‘জনযাত্রা’য় অংশগ্রহণকারীরা শুক্রবার রাতে যশোর শহরে অবস্থান করবেন। আজ শনিবার সকালে তাঁরা খুলনার উদ্দেশে রওনা হবেন।

মাহমুদ হাসান বুলু বলেন, যশোর শহরের টাউন হল মাঠে জনযাত্রার সমাবেশ করার জন্য পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করা হয়। কিন্তু পুলিশ সমাবেশের অনুমতি দেয়নি।

এ ব্যাপারে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক বলেন, পুলিশের বিশেষ শাখার কাছ থেকে সায় না পাওয়ায় জনযাত্রা কর্মসূচি শহরের মধ্যে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। চার দিনের এই জনযাত্রা কর্মসূচি আগামীকাল রবিবার বাগেরহাটের কাটাখালীর রূপসায় সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে এই জনযাত্রা শুরু হয়েছে।

বাগেরহাটের রামপালে সুন্দরবনের পাশে বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠানের যৌথ মালিকানায় এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। এ ছাড়া মংলার শ্যাওলাবুনিয়ায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন নির্মাণ করছে ৫৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরেকটি বিদ্যুেকন্দ্র। জাতীয় কমিটি ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো মনে করছে কয়লাভিত্তিক এই দুটি বিদ্যুেকন্দ্র হলে সুন্দরবনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এ কারণে তারা এ দুটি বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে।

মন্তব্য