জীবাণু রোধে অকার্যকর অভ্যাসগুলো-334598 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


জীবাণু রোধে অকার্যকর অভ্যাসগুলো

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



জীবাণু রোধে অকার্যকর অভ্যাসগুলো

১. বাথরুম ফ্ল্যাশ করতে পায়ের ব্যবহার : জীবাণু থেকে দূরে থাকতে পা দিয়ে ফ্ল্যাশ করার অভ্যাস করেন অনেকেই। তবে বাথরুমের দরজা হলো সবচেয়ে জীবাণুযুক্ত এলাকা। দরজার হাতলে থাকতে পারে অসংখ্য জীবাণু। তা হাত দিয়ে খোলা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। তাই হাত দিয়ে ফ্ল্যাশ না করলেও জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যায়। এ ক্ষেত্রে হাতে একটি পরিষ্কার টিস্যু পেপার রেখে তা দিয়ে দরজা খোলা বা ফ্ল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া বাথরুম থেকে বের হওয়ার পর হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধোয়ার বিকল্প নেই।

২. কেউ হাঁচি দেওয়ার সময় নাক বন্ধ করা : আশপাশের ব্যক্তিরা যদি হাঁচি দেয় তাহলে আপনি শ্বাস বন্ধ করলেই কি কার্যকরভাবে জীবাণু প্রতিরোধ করা যাবে? এ প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেউ হাঁচি দিলে বাতাসে যে জীবাণু ছড়ায় তা প্রতিরোধ করতে হলে বেশ কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় শ্বাস বন্ধ করে একটু দূরে চলে যেতে পারলে।

৩. একই গ্লাস ভাগাভাগি করার সময় মুছে নেওয়া : পান করার আগে বোতল বা গ্লাসের ওপরের অংশ হালকা করে মুছে নিলে জীবাণু কিছুটা কমতে পারে। তবে ভালোভাবে জীবাণু দূর করার জন্য গ্লাসটি সম্পূর্ণ ধুয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই।

৪. এটিএম মেশিনে গ্লাভস ব্যবহার : এটিএম মেশিনের সুইচে থাকা জীবাণু থেকে বাঁচার জন্য হাতে গ্লাভস পরে নিতে আগ্রহী? এ ক্ষেত্রে আপনি যখন মেশিন ব্যবহার শেষে অন্য হাত দিয়ে গ্লাভসটি খুলবেন তখনই জীবাণুগুলো গ্লাভস থেকে হাতে স্থানান্তরিত হবে।

ফক্স নিউজ অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব

মন্তব্য