kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দেশে গ্লুকোমার প্রকোপ বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দেশের মোট জনসংখ্যার ২.১ শতাংশ মানুষ গ্লুকোমায় আক্রান্ত। এর মধ্যে অন্ধত্বের হার ১.২ শতাংশ।

এ রোগের প্রকোপ দিনে দিনে আরো বেড়ে যাচ্ছে। গ্লুকোমা রোগ যেকোনো বয়সে হলেও ৪০ বছরের পরে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এটি একটি উপসর্গহীন রোগ। আর অনিরাময়যোগ্য অন্ধত্বের প্রধান কারণ হলো গ্লুকোমা। বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ (৬-১২ মার্চ) উপলক্ষে গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ফ্রি গ্লুুকোমা স্ক্রিনিং ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

এ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, ‘উপসর্গহীন গ্লুকোমা প্রতিহত করুন। ’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, বাংলাদেশ গ্লুুকোমা সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আরিফ মিয়া, চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডা. জাফর খালেদ, অতিরিক্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. নাজমুল করিম মানিক, চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাজনীন খান, সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. ছানোয়ার হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, এশিয়ার দেশগুলোতে গ্লুকোমা রোগীর সংখ্যা বেশি। বিশ্বের গু্লকোমা আক্রান্তদের অর্ধেক রোগীই এশিয়ার। উপসর্গহীন হওয়ায় চোখের পরীক্ষা ছাড়া এ রোগটির বিষয়ে রোগীরা ঝুঝতে পারে না। শুরুতে চিহ্নিত হলে চিকিৎসায় ভালো হয় গ্লুকোমা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে এ রোগের পরীক্ষা ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, জন্মগত ত্রুটি, জেনেটিক, আঘাতজনিত, বয়সজনিত কারণে চোখের কিছু পরিবর্তন, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার ইত্যাদি কারণে এ রোগ হয়ে থাকে। বক্তারা বলেন, দেশে গ্লুকোমা রোগীর বিদ্যমান পরিসংখ্যানটি অনেক পুরনো হলেও এটিই সর্বশেষ। ২০০৪ সালের পর আর কোনো জরিপ বা পরিসংখ্যান হয়নি। ফলে নিশ্চিত করেই বলা যায়, গত কয়েক বছরে ওই সংখ্যা অনেকে বেড়েছে।   


মন্তব্য