সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে-334184 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০১৬। ১৬ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৮ জিলহজ ১৪৩৭


কৃষককে ধোঁকা দিয়ে নিষিদ্ধ পপি চাষ!

সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ ১৭ জনকে রুল

রংপুর অফিস   

১০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



রংপুরে নিষিদ্ধ পপি চাষ নিয়ে কালের কণ্ঠে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ ১৭ জন কর্মকর্তার প্রতি রুল জারি করেছেন। আগামী সাত দিনের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী শুনানি আদেশের জন্য আগামী ১৬ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে। বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে যৌথ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস স্বাক্ষরিত পত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, পপি চাষ হচ্ছে অথচ ওই সব এলাকার পুলিশ ও প্রশাসন তেমন কিছুই জানে না। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে কেন তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ বিষয়ে জানতে চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, রংপুর-দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, রংপুরের বদরগঞ্জ ও মিঠাপুকুরের ইউএনও এবং ওসি, দিনাজপুরের পার্বতীপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাটের ইউএনও, ওসিসহ ১৭ কর্মকর্তার প্রতি রুল জারি করা হয়।

আদালতের আদেশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ ও নবাবগঞ্জের ইউএনও। মিঠাপুকুরের ইউএনও মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, আদেশ পাওয়ার পর থেকে তিনি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে পপি চাষ সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

গত ৫ মার্চ শনিবার কালের কণ্ঠ’র শেষ পৃষ্ঠায় ‘কৃষককে ধোঁকা দিয়ে নিষিদ্ধ পপি চাষ!’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর রংপুরের বদরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কুতুবপুর ইউনিয়নের সোনারপাড়া গ্রামে চাষ করা নিষিদ্ধ পপিক্ষেত ধ্বংস করেছে। এ সময় পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় ৪০ শতক জমিতে চাষ করা পপিগাছ উপড়ে নেয় এবং বর্গাচাষি মোকছেদুল হককে গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপারে বদরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জমির মালিক শফিউল ইসলাম ওরফে খোকা মেম্বার বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

মন্তব্য