পাঁচ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে-333900 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


বরিশালে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতি

পাঁচ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই জালিয়াতির মাধ্যমে ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী ক্রয়ের নামে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বরিশালের পাঁচ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার দুদকের বরিশাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।  খবর দুদক সূত্রের।

দুদকের নির্ভরযোগ্য সূত্রটি জানায়, আসামির তালিকায় রয়েছেন বরিশালের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মো. খায়রুল ইসলাম ও ডা. আফতাব উদ্দিন আহমেদ, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সাইদুর রহমান, মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. হাবিবুর রহমান, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের ডেন্টাল সার্জন ডা. সৈয়দ মাহবুব হাসান, একই হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন, বরিশাল ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টস কার্যালয়ের সাবেক সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মিজানুর রহমান, সাবেক অডিটর রুহুল আমিন চৌধুরী, বরিশালের সাবেক জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, ঠিকাদার আমিনুর রহমান চৌধুরী এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাদারীপুর মেডিসিন সাপ্লায়ার্সের মালিক সাইদুর রহমান খান। আসামিদের বিরুদ্ধে শিগগিরই বরিশালের কোতোয়ালি থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হবে।

দুদক সূত্র জানায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী ক্রয়ের নামে ৯টি বিলের ভুয়া অনুমোদনপত্র তৈরি করেন। পরে সরকারি মালিকানাধীন ওষুধ কম্পানি অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কম্পানি লিমিটেডের নির্ধারিত দর উপেক্ষা করে বেশি দামে ৫৭টি আইটেমের ওষুধ বাইরে থেকে কেনা দেখানো হয়।  ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাদারীপুর মেডিসিন সাপ্লায়ার্স এসব ওষুধ ও ওষুধসামগ্রী সরবরাহ করে। এই ৯টি ভুয়া বিলের বিপরীতে ৮৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯২ টাকা উত্তোলনে সহযোগিতা করেন বরিশাল ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টস কার্যালয়ের অভিযুক্ত কর্মকর্তারা। একইভাবে সিভিল সার্জন মো. খায়রুল ইসলাম অন্য আসামিদের সহায়তায় নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে ২৫টি ব্লাড প্রেশার  মেশিন ও ওষুধ  কেনা বাবদ ১১ লাখ ১১ হাজার ৩৫১ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন।

মন্তব্য