kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মীর কাসেমের ফাঁসি বহাল

গণজাগরণ মঞ্চের আনন্দ মিছিল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ড আপিল বিভাগের রায়েও বহাল থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল করেছে গণজাগরণ মঞ্চ।

গতকাল সকালে রায় ঘোষণার পর পরই রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে আনন্দ মিছিল শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শাহবাগে এসে শেষ হয়।

মিছিল শেষে মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘সর্বোচ্চ আদালত মীর কাসেমের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন। এর মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রায় আজ আমরা পেয়েছি। এর মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়েছে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সকল ষড়যন্ত্র পরাজিত হয়েছে। জনগণের আন্দোলন বিজয়ী হয়েছে। ’

এদিকে চট্টগ্রাম থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, রায় ঘোষণার পর পরই বন্দরনগরীতে আনন্দ মিছিল করছে গণজাগরণ মঞ্চ ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল। নগরীর চেরাগী পাহাড় থেকে আনন্দ মিছিল বের করে গণজাগরণ মঞ্চ। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে চেরাগী মোড় চত্বরে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। চট্টগ্রামের গণজাগরণ মঞ্চের সমন্বয়ক শরীফ চৌহান বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্পূর্ণ রাজাকারমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব। ’

একই সময়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বর থেকে আনন্দ মিছিল বের করে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ড। মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে সরকার শুধু নির্বাচনী অঙ্গীকারই পূরণ করেনি, মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেশবাসীর প্রত্যাশারও প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

সিলেট অফিস জানায়, সিলেট গণজাগরণ মঞ্চও আনন্দ মিছিল করেছে। বিকেলে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে কোর্ট পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নিয়ে একাত্মতা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।


মন্তব্য