kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নিখোঁজের দুই দিন পর কসবায় শিশুর গলাকাটা লাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নিখোঁজের দুই দিন পর কসবায় শিশুর গলাকাটা লাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নিখোঁজের দুই দিন পর খাদিজা মণি মিতু (৭) নামে এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কসবা পৌর এলাকার ইমামপাড়ার একটি বহুতল ভবন থেকে তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাসুক মিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়।

মিতু কসবার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বাড়াই গ্রামের আল-আমিন মিয়ার মেয়ে। আল-আমিন মিয়া সৌদি আরবে থাকেন। দুই বছরের ছেলে আবদুল্লাহ ও মিতুকে নিয়ে কসবা পৌর এলাকার শীতলপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন তাঁর স্ত্রী রুনা আক্তার। মিতু প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। গত শনিবার সকালে মক্তবে যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হয় সে। এ ঘটনায় রুনা আক্তার শনিবার দুপুরে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর রাতে মাসুক মিয়া ও খায়রুলকে আসামি করে একটি মামলা করেন তিনি। পরে পুলিশ রাতেই গোপীনাথপুর ইউনিয়নের লতুয়ামুড়া গ্রামের মাসুক মিয়া (২০), তার ভাই আশিক মিয়া (১৬), একই গ্রামের খায়রুল মিয়া ও গোপীনাথপুরের কিবরিয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করে।

এর মধ্যে মাসুক মিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল ইমামপাড়ার একটি বহুতল ভবনে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে ভবনের পঞ্চম তলায় মিতুর বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ও কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ সুপার জানান, টাকার জন্যই মিতুকে অপহরণ করা হয় এবং পরে জবাই করে হত্যা করা হয়। লাশ উদ্ধারের সময় ওই ভবন থেকে তামিম মিয়া (২১) নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


মন্তব্য