kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সেরা বইয়ের লেখক ও প্রকাশককে পুরস্কৃত করল বিশাল বাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত বইয়ের মধ্য থেকে নির্বাচিত সেরা বইয়ের লেখক ও প্রকাশককে পুরস্কৃত করল প্রকাশনা সংস্থা বিশাল বাংলা। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বিশাল বাংলা প্রকাশনী সাহিত্য পুরস্কার-২০১৬’ প্রদান করা হয়।

বিশিষ্ট কবি ও সংসদ সদস্য কাজী রোজী প্রধান অতিথি লেখক ও প্রকাশকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। শেখ মো. আজহার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন বিশাল বাংলার প্রধান নির্বাহী শহীদুল হক খান।

সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে অনুভূতি জানান ঔপন্যাসিক হরিশংকর জলদাস, জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক ড. নাসরীন জেবিন প্রমুখ।

কালের কণ্ঠ’র নির্বাহী সম্পাদক ও জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘২৫ বছর ধরে নিয়মিত লিখছি। প্রতিদিন পড়ি, প্রতিদিন লিখি, না লিখে স্বস্তি পাই না। কিন্তু পুরস্কারের জন্য কখনো লিখিনি। এই পুরস্কার পেয়ে আবেগ আপ্লুত, অভিভূত। ’ তিনি বলেন, ‘৮০ বছর বয়সের একজন পাঠক আমার বই পড়ে যখন বলেন, তিনি অভিভূত কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কোনো যুবক মেলায় আমার সব বইয়ের তালিকা নিয়ে এসে জানতে চায় এর বাইরে আর কোনো বই আছে কি না তখন নিজেকে কিছুটা হলেও সার্থক মনে হয়। ’

কবি কাজী রোজী বলেন, মানুষের একটি জায়গা লাগে, যেখানে নিজের কথা বলা যায়। সেই জায়গা তৈরি করে দেওয়ার জন্য তিনি বিশাল বাংলার কর্ণধার শহীদুল হক খানকে ধন্যবাদ জানান। ’

পুরুষ লেখকের ‘সেরা সাত’ বইয়ের পুরস্কার পেয়েছে কবি কামাল চৌধুরীর ‘ভ্রমণ কাহিনী’ (পাঠক সমাবেশ), হরিশংকর জলদাসের ‘একলব্য’ (অন্যপ্রকাশ), মোস্তফা কামালের ‘পারমিতাকে শুধু বাঁচাতে চেয়েছি’ (পার্ল), আন্দালিব রাশদীর ‘বুবনা’ (অন্বেষা), সৈয়দ মোজাম্মেল হক মিলনের ‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঘোষণা’ (মিজান পাবলিশার্স), পরিতোষ বাড়ৈর ‘ভূতের আম্মু বনাম জাদুকর জাম্মু’ (সময়) ও প্রিন্স আশরাফের ‘গুরুদাসী মা ৭১’ (বেহুলা বাংলা)।   অনুষ্ঠানে নারী লেখকদের ‘সেরা সাত’ বইয়ের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ ছাড়া চারটি বইয়ের লেখককে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।


মন্তব্য