kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রতিশ্রুতির কথা ছাড়া কিছুই জানেন না মাবিয়া!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেখভালের প্রতিশ্রুতির কথাটি শোনা ছাড়া এ বিষয়ে কিছুই জানেন না সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের ২০১৬ আসরের স্বর্ণজয়ী মাবিয়া আখতার সীমান্ত। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দেখভালের বিষয়টি টিভির শিরোনামে দেখা ছাড়া আর কিছুই জানি না আমি।

দেশে আসার পর সরকারের পক্ষ থেকে কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এ বিষয়ে আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনি শুনেছি। তবে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা রইল। ’

রাজধানীর গুলশান-১-এর আন্তর্জাতিক রেস্টুরেন্ট চেইন নান্দোসে আয়োজিত এক সংবর্ধনা শেষে একান্ত আলাপে কালের কণ্ঠকে গতকাল সোমবার মাবিয়া এসব কথা জানান। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এমজিএইচ রেস্টুরেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড মাবিয়া আখতারকে সংবর্ধনা দেয়।

মামা শাহাদাত হোসেনের হাত ধরে ভারোত্তোলনে প্রবেশ করেছেন বলে জানান মাবিয়া আখতার। তিনি বলেন, ‘২০১০ সালে মামা আমাকে এ জগতে নিয়ে আসেন। তখন ভারোত্তোলনে যোগ দিই। সেই থেকে শুরু। এরপর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আজকের অবস্থানে এসেছি। ’  ভারোত্তোলনে প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে মাবিয়া বলেন, ‘খেলাটা দারুণ। তবে মানুষের চোখে ভুল ছিল। মানুষ মনে করে মেয়েরা এটা করতে পারে না। অথচ বাংলাদেশে মেয়েদের ভারোত্তোলনেই সবচেয়ে বেশি সাফল্য এসেছে। ’

আসন্ন অলিম্পিক গেমসে সফলতার জন্য এখনই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করা দরকার বলে জানান এই স্বর্ণকন্যা। তিনি বলেন, ‘আমার পরবর্তী লক্ষ্য অলিম্পিক গেমস। আমার কোয়ালিফাই করা আছে। তাই এতে অংশগ্রহণের সুযোগও আছে। তবে সেখানে সাফল্যের জন্য এখনই ক্যাম্পটা শুরু করা দরকার। পাশাপাশি ভারোত্তোলনে বিদেশি কোচ নিয়োগ করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

নারী দিবস উপলক্ষে মাবিয়া বলেন, ‘আমাদের সমাজে নারীদের অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। তবে সেটা জয় করার সাহস থাকলে কেউ আটকে রাখতে পারে না। শিলা  আপা ও আমি সেটা করে দেখিয়েছি। আমি মনে করি, মেয়েরা চাইলে সব কিছু করতে পারে। এর জন্য দৃঢ় মানসিকতাই যথেষ্ট। ’

প্রসঙ্গত, এসএ গেমসের ২০১৬ সালের আসরে মাবিয়া আখতার সীমান্ত একটি স্বর্ণপদক অর্জন করেন। দরিদ্র পরিবারের সন্তান মাবিয়ার অসামান্য অর্জনের জন্য তাঁর পরিবারের বাসস্থান সুবিধা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


মন্তব্য