kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


২৩০০ মেগাওয়াটের তিন বিদ্যুেকন্দ্র

সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রকল্প উঠছে আজ একনেক সভায়

আরিফুর রহমান   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে নতুন করে আরো দুই হাজার ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তিনটি বিদ্যুেকন্দ্রের প্রাথমিক কাজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। তিনটি বিদ্যুেকন্দ্রের মধ্যে দুটি হবে কয়লাভিত্তিক, আর একটি গ্যাসভিত্তিক।

এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক একটি বিদ্যুেকন্দ্র হবে কক্সবাজারের পেকুয়ায়। ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরেকটি হবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে। আর গ্যাসভিত্তিক ৪০৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুেকন্দ্রটি হবে নরসিংদীর ঘোড়াশালে। বিদ্যুেকন্দ্রের মূল কাজ শুরু করার আগে ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন, সম্ভাব্যতা যাচাই এবং বিস্তারিত সমীক্ষার কাজ দ্রুত শেষ করতে চায় সরকার। সে জন্য আলাদা তিনটি প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উত্থাপন করার কথা রয়েছে। তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ২৯১ কোটি টাকা।

বিদ্যুৎ উত্পাদনের পাশাপাশি তা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে দরকার সংযোগ লাইন। তাই নতুন করে আরো ১৫ লাখ গ্রাহককে সংযোগ লাইন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ‘পল্লী বিদ্যুৎ সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহককে সংযোগ’ শিরোনামের প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ছয় হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। এ প্রকল্পও আজ একনেক সভায় উত্থাপন করার কথা।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান সরকারের গত ছয় বছর মেয়াদে ৩১ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার লাইন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যেগুলোর কাজ এখন দেশব্যাপী চলছে। আরো ১৫ লাখ গ্রাহককে সংযোগ লাইন দেওয়ার প্রকল্প অনুমোদন পেলে সেটি বেড়ে উন্নীত হবে ৪৬ লাখে। প্রকল্পের কার্যপত্র ঘেঁটে জানা গেছে, মহেশখালীতে কয়লাভিত্তিক ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুেকন্দ্রটি হবে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর যৌথ উদ্যোগে। এ বিষয়ে গত বছরের ১৫ এপ্রিল বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুরের (আইইএস) সমঝোতা স্মারক সই হয়। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের। অন্যদিকে পেকুয়ায় ৬০০ মেগাওয়াট করে দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।


মন্তব্য