kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সাত বিদেশি দূতের শ্রদ্ধা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সুদূর মেক্সিকোয় বসে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের কথা শৈশবেই জেনেছিলেন মেলবা প্রিয়া। বর্তমানে বাংলাদেশে মেক্সিকোর অনিবাসী ওই রাষ্ট্রদূত বলেন, এ দেশের সঙ্গে তাঁর পরিচিতি ১৯৭১ সালেই।

মা এক হাতে তাঁকে (মেলবা প্রিয়া) ধরে অন্য হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘বাংলাদেশকে মুক্ত করো। ’ বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম এবং সেখানে বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টিও জানে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের মানুষ। বাংলাদেশের সংগ্রামের সঙ্গেও তাদের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। তাই ওই দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা এ সপ্তাহে ঢাকা সফরে এসে ব্যস্ততার মধ্যেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে ভোলেননি।

ব্রাজিল, ডমিনিক প্রজাতন্ত্র, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা, গায়না এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর রাষ্ট্রদূতরা গতকাল সোমবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বিকেলে ঢাকার ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিময় বাড়িটি ঘুরে দেখা শেষে তাঁদের পক্ষে বাংলাদেশে ডমিনিক প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত (মনোনীত) ফ্র্যাংক হ্যান্স ড্যানেনবার্গ ক্যাস্টেলন্স লিখেছেন, ‘বাঙালিদের ঐতিহাসিক এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পেরে আমরা, ঢাকা সফররত লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় মিশনপ্রধানরা সম্মানিত বোধ করছি। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় দেশগুলোর সবাই বাঙালিদের সংগ্রাম ও বঙ্গবন্ধুর বীরত্বের কথা জানে। ’

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুরা হোসেইন ওই সাত মিশনপ্রধানকে জাদুঘর ঘুরে দেখান ও বিভিন্ন বিষয় অবহিত করেন। লাতিন আমেরিকান ও ক্যারিবীয় ওই রাষ্ট্রদূতরা গত রবিবারের মতো গতকালও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা কথা বলেছেন বাংলাদেশের সঙ্গে ওই অঞ্চলের দেশগুলোর বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়েও।

বাংলাদেশে মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত (মনোনীত) ফ্র্যাংক হ্যান্স ড্যানেনবার্গ ক্যাস্টেলন্স বলেন, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগের চমত্কার স্থান বাংলাদেশ। তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্যসহ বাংলাদেশি পণ্যগুলোর লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় বাজারে বড় পরিসরে প্রবেশের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।


মন্তব্য