kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে নারীর গড় উপস্থিতি মাত্র ১৮ শতাংশ!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে গত ১০ বছরেও নারীর উপস্থিতির কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। রাজনীতি ও সরকার, অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য, অপরাধ ও সহিংসতা, তারকা, শিল্প ও গণমাধ্যম এবং খেলাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে নারীর উপস্থিতি মাত্র ১৮ শতাংশ।

বিপরীতে পুরুষের উপস্থিতি ৮২ শতাংশ।

জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গতকাল ‘বিশ্ব গণমাধ্যমে নারীর পরিবীক্ষণ প্রকল্প-২০১৫’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশের আলোচনায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এই অংশে ‘বিশ্ব গণমাধ্যম পরিবীক্ষণ প্রকল্প, ২০১৫ : জাতীয় প্রতিবেদন শেয়ারিং’ শীর্ষক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন। জেন্ডার ইন মিডিয়া ফোরাম অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ড. গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘রাজনীতি, অর্থনীতি, সরকার বা প্রশাসনের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নারীকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে দেখা গেছে নারী যখন প্রতিবেদক থাকেন, তখন নারীকেন্দ্রিক খবরের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। নারী প্রতিবেদকের খবরে নারীর উপস্থিতি থাকে পুরুষ প্রতিবেদকের চেয়ে বেশি। এ হার যথাক্রমে ২৮ ও ২৪ ভাগ। ’

গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘গণমাধ্যমে নারীর ভূমিকা প্রচার করতে হলে এবং নারীর প্রতি অবমাননাকর, নেতিবাচক, সনাতনী প্রতিপালন বন্ধ করতে হলে বর্তমানে গণমাধ্যমে নারীর যে রূপ প্রতিফলিত হচ্ছে তা চিহ্নিত করা দরকার এবং গণমাধ্যমে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রয়োজন। ’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সংবাদে কোনো ঘটনা বা বিষয় বা প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র হিসেবে উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী মাত্র ৯ শতাংশ। পাশাপাশি উপস্থাপিত বিশেষজ্ঞের মধ্যে নারী মাত্র ৭ শতাংশ। এ ছাড়া নারীর অভিজ্ঞতা ও প্রত্যক্ষদর্শী বর্ণনায় নারীদের উপস্থিতি যথাক্রমে ৬০ ও ৫০ শতাংশ। এসব ক্ষেত্রে নারীকে পারিবারিক পরিচয়ে পরিচিত করানোর প্রবণতা বেশি। ’

বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জেন্ডার ইন মিডিয়া ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন কর্মকার, ইউএনডিপির পরামর্শক ফারহানা হাফিজ, ফওজিয়া খন্দকার  ইভা প্রমুখ।


মন্তব্য