kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নকশা অমান্যের মামলায় আরো তদন্তের নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নকশা অমান্যের মামলায় আরো তদন্তের নির্দেশ

নকশা অমান্য করে সাভারের রানা প্লাজা নির্মাণ করা হয়েছে অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত যথাযথ হয়নি। এ কারণে আরো খতিয়ে তদন্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল রবিবার এ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্তকারী প্রতিষ্ঠান দুদকের অভিযোগপত্র যথাযথ না হওয়ায় অভিযোগ গঠন করেননি ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ এম আতোয়ার রহমান। তিনি অধিকতর তদন্তের আদেশ দিয়ে আগামী ৮ মে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন।

আদেশে বলা হয়, ভবন নির্মাণের জন্য অনুমোদন নিতে মালিকপক্ষ জমির দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্রে জালিয়াতির আশ্রয় নেয় বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই সব নথি ঠিকমতো যাচাই না করেই অনুমোদন দিয়েছে। অথচ ওই সময়ে দায়িত্বে থাকা কাউকে মামলায় সংশ্লিষ্ট করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিষয়ে বলা হয়নি। তাই অধিকতর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

আদালতের পেশকার রফিকুল ইসলাম এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

২০১৪ সালের ১৫ জুন রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলাটি করা হয়। ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। ওই বছরের ১৫ জুলাই অভিযোগপত্র দেয় দুদক। তাতে আসামি হিসেবে আরো একজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাভার পৌরসভায় ‘রানা প্লাজা’ নামের ছয় তলা শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০০৮ সালের ২২ জানুয়ারি ছয় তলার ওপর আরো চার তলা নির্মাণের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। আগের অনুমোদনের নথির তথ্য গোপন করে নতুন নথি খুলে অনুমোদন দেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। শপিং কমপ্লেক্স করার কথা থাকলেও সেখানে পাঁচটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এক হাজার ১৩৬ জন নিহত হন। এক হাজার ৫২৪ জন গুরুতর আহত হন। হতাহতদের বেশির ভাগ গার্মেন্ট শ্রমিক। ধ্বংসস্তূপ থেকে দুই হাজার ৪৩৮ জনকে উদ্ধার করা হয়।


মন্তব্য