হালকা আলাপের গুরুত্ব-332626 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


হালকা আলাপের গুরুত্ব

৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



হালকা আলাপের গুরুত্ব

১. অস্বস্তিকর পরিস্থিতি দূর করে : সামাজিক কোনো অনুষ্ঠানে অনেকেই আশপাশের কারো সঙ্গে কথাবার্তা না বলে একেবারে চুপচাপ থাকে। এতে পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো উপায় হালকা কথাবার্তা বলা। এতে পারস্পরিক সম্পর্ক টিকে থাকে। এমনকি গড়ে ওঠে নতুন সম্পর্কও।

২. যোগাযোগের অচলাবস্থা দূর করতে : প্রায়ই এমন হয়—কারো সঙ্গে দীর্ঘদিন কথা না বলায় সম্পর্কে একটা ভাটা পড়ে যায়। আবার নতুন করে যোগাযোগ তৈরি করার ইস্যুও থাকে না। এমন পরিস্থিতিতে হালকাপাতলা আলাপ দিয়ে নতুন করে যোগাযোগ শুরু করা যেতে পারে।

৩. পরিবর্তন সহজ করতে : ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত প্রয়োজনে প্রায়ই আমাদের বিভিন্ন ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নতুন ভূমিকায় যোগাযোগ শুরু করতে হয় হালকা কথাবার্তা দিয়ে। এতে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো সহজ হয়।

৪. ভাববিনিময়ের সুযোগ : অন্যের সঙ্গে মনের ভাব বিনিময়ের প্রাথমিক স্তর হলো হালকা কথাবার্তা। আপনি চাইলেও অনেক সময় নিজের মূল ভাব বা বক্তব্য তুলে ধরতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে শুরু করতে হবে হালকা আলাপ দিয়ে।

৫. ‘হালকা কথাবার্তা’ হালকা নয় : হালকা কথাবার্তা অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক সহজ করে তুললেও হালকা কথাবার্তা বলা সহজ নয়। এ ধরনের কথাবার্তা কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের কয়েকটি পরামর্শ আছে। যেমন—প্রথমে নিজের পরিচয় দেওয়া, যা উভয়ের মাঝে বরফ গলাতে সহায়তা করে। এরপর কথা বলা যেতে পারে আগ্রহ উদ্দীপক কোনো বিষয় নিয়ে। এ ছাড়া এমন প্রশ্নও করা যেতে পারে, যার উত্তর উত্তরদাতা নিজের মতো করে দিতে পারবে। আরেকটি বিষয় হলো, অন্যের কথার গুরুত্ব দিতে হবে। সে যা বলছে, উপেক্ষা না করে তার পরিপ্রেক্ষিতেই কথা বলতে হবে।

হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব

মন্তব্য