রক্তদাতারা মানুষের মাঝে প্রাণের-332315 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


কোয়ান্টামের অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান

রক্তদাতারা মানুষের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



‘রক্তদাতাদের সঙ্গে আমাদের একটা সুসম্পর্ক রয়েছে। রাজস্ব যেমন দেশের অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চার করছে; রক্তদাতারা তেমনি রক্তদানের মাধ্যমে মানুষের মাঝে প্রাণ সঞ্চার করছেন।’ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান গতকাল শুক্রবার কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন।

স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে গতকাল সকালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, রাজস্ব বিভাগের কার্যক্রম ও কোয়ান্টামের রক্তদান কার্যক্রমের সামঞ্জস্য রয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য রক্তের প্রয়োজন। উন্নয়নের জন্যও তেমনি রক্তের প্রয়োজন। দেশের উন্নয়নে সেই রক্ত হলো রাজস্ব। রক্তদানের সঙ্গে একসময় নিজেও সম্পৃক্ত ছিলেন উল্লেখ করে দেশের রক্তের চাহিদা অনুযায়ী জোগান দেওয়ার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

কমপক্ষে ১০ বার রক্তদান করে সিলভার ক্লাব এবং ২৫ বার রক্তদান করে গোল্ডেন ক্লাবের সদস্যপদ লাভ করেছেন—এমন ২৫৪ জন রক্তদাতাকে সম্মাননা দেয় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের সনদপত্র, বিশেষ আইডি কার্ড, সম্মাননা ক্রেস্ট ও মেডেল দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের প্রধান অধ্যাপক ডা. নিজামউদ্দিন আহমদ।

স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের পক্ষে অনুভূতি বর্ণনা করেন আফরিন মাসকুরা এবং নিয়মিত রক্তগ্রহীতাদের মধ্য থেকে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন থ্যালাসেমিয়া রোগী প্রাচী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্ব্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারী। তিনি বলেন, আইন করে কখনো রক্তদান করানো যায় না। এ জন্য প্রয়োজন মানবিকতা, মানুষের জন্য ভালোবাসা। আর মানুষের পক্ষে রক্তদাতাদের প্রতিদান দেওয়াও সম্ভব নয়। রক্তদানের মতো এমন মহান কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নিয়মিত রক্তদাতাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে প্রতিবছর প্রায় ছয় লাখ ব্যাগ নিরাপদ ও সুস্থ রক্তের চাহিদা রয়েছে। অথচ সেই তুলনায় জোগান বেশ কম। রক্ত ঘাটতির বিপুল এ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই ১৯৯৬ সাল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কোয়ান্টাম।

মন্তব্য