kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সীমান্তে রাডার সেন্সর ক্যামেরা বসাচ্ছে ভারত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে রাডার, সেন্সর ও ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। সীমান্তের যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো সম্ভব নয়, সেখানেই এ প্রযুক্তিগত নজরদারি চালু করা হবে বলে জানিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গতকাল শুক্রবার দেশটির আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজুকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে ভারত-পাক নিয়ন্ত্রণ রেখা তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গে সুন্দরবন, গুজরাটে কচ্ছের রণ এবং ত্রিপুরার কিছু এলাকায়ও এ ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে।

আনন্দবাজার জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পশ্চিমবঙ্গের বেশির ভাগ এলাকায়ই সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত হলেও সুন্দরবনের মধ্যে সীমান্ত কোথায় বিলীন হয়েছে স্পষ্ট নয়। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাংশে ভারত এবং বাংলাদেশ পরস্পরের সঙ্গে সুন্দরবনের মধ্যে যেন মিশে রয়েছে। এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গভীরতম এলাকাতেই দুই দেশের সীমান্ত। সেই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ এমনই এবং তা এতই দুর্গম যে কোনোভাবেই সেখানে কাঁটাতার বসানো সম্ভব নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব সীমান্ত আর অরক্ষিত রাখতে চায় না। বিভিন্ন দুর্গম সীমান্ত অরক্ষিত থাকার সুযোগ নিয়েই জঙ্গিরা এখন এ দেশে ঢোকার চেষ্টা করছে। সে কথা মাথায় রেখেই দুর্গম এলাকায় সীমান্ত পাহারা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, এ সীমান্তগুলোতে উন্নতমানের রাডার, সেন্সর, ক্যামেরা এবং কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক বসানো হবে। কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল ব্যবস্থা গড়ে তুলে সেসব নজরদারি সরঞ্জামকে কাজে লাগানো হবে। অর্থাৎ সীমান্তে বসানো রাডার, সেন্সর বা ক্যামেরায় কোনো সন্দেহজনক গতিবিধি ধরা পড়লেই কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেনা বা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে সেই খবর পৌঁছে দেওয়া হবে। খবর পাওয়া মাত্রই উপযুক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেবে দেশের সশস্ত্র বাহিনী। এ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।


মন্তব্য