kalerkantho


১০ লক্ষণে চাকরির প্রস্তাবে ‘না’

৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



১০ লক্ষণে চাকরির প্রস্তাবে ‘না’

১. প্রথমেই বোঝার চেষ্টা করুন, আপনার মন কী বলছে। মন সায় না দিলে ধরে নিতে পারেন, সম্ভাব্য চাকরির মধ্যে খটকা আছে।

তবে বলে রাখা ভালো, এটা বৈজ্ঞানিক কোনো কারণ নয়।

২. প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব দেওয়ার পরই প্রার্থীকে সিদ্ধান্ত নিতে সময় বেঁধে দেয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠান যদি সময় শেষ হওয়ার আগেই ঘন ঘন তাগাদা দেয়, তবে বুঝতে হবে প্রতিষ্ঠানটির জরুরি ভিত্তিতে কর্মী দরকার। কিন্তু এটা খারাপ কিছুর সংকেতও হতে পারে। তাই এমন ক্ষেত্রে ‘না’ বলে দেওয়াই ভালো।

৩. যে পদের জন্য আপনাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেই পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে আছে কি না, জানতে হবে। এর কারণ হতে পারে, পদটিতে যোগ্য মিলছে না। আবার এমনও হতে পারে, ওই পদে কাজ করা খুবই কঠিন। তাই সহজে ‘হ্যাঁ’ বলাটা বোকামি হবে।

৪. এ পদের টার্নওভার রেট যদি খুব বেশি হয়, তবে তাকে ঘুরপাক খাওয়া চেয়ার বলে গণ্য করা যেতে পারে। আর এমন চেয়ারে সাধারণত কেউ বসতে চায় না।

৫. খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সেখানকার কর্মীদের প্রতিক্রিয়া কেমন। সেই প্রতিক্রিয়াই আপনাকে জানিয়ে দেবে, ওই চাকরিতে যোগ দেওয়া ঠিক হবে কি না।

৬. নতুন প্রস্তাব নিয়ে দরকষাকষি করতে পারেন। হয়তো বেশ কয়েকটি বিষয় আলোচনাও হবে। খেয়াল করতে হবে, সব বিষয়েই তাদের আগ্রহ আছে কি না। যদি না হয়, তবে মুখ ফিরিয়ে নিন।

৭. ধরুন, বেতনভাতা নিয়ে আপনার সঙ্গে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে কিন্তু কাগজপত্র দিচ্ছে না। বুঝতে হবে, ঘটনা সন্দেহজনক। কাজেই আর এগোনো ঠিক হবে না।

৮. প্রতিষ্ঠানের এমন কয়েকটি তথ্য আছে, যেগুলো তারা চাইলেই আপনাকে জানাতে পারে। কিন্তু সেগুলো যদি লুকাতে চায়, তবে বুঝতে হবে লক্ষণ ভালো নয়।

৯. আপনি হয়তো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। পরামর্শ নেবেন, এমন কেউও নেই। সে ক্ষেত্রে ঝুঁকি নেওয়ার দরকার নেই।

১০. আপনাকে রাজি করাতে কর্তৃপক্ষ যখন তত্পর, তখন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন না। এমনও হতে পারে, তাদের প্রস্তাবে ঝামেলা আছে এবং সেই প্রস্তাবে কেউ রাজি হচ্ছে না। কাজেই আপনিও ‘না’ বলে দিন। নিশ্চয়ই আরো ভালো প্রস্তাব আপনার অপেক্ষায় আছে।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য