kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ঢাকা উত্তরে দোকানদারদের ফুটপাত দখল বন্ধ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



আগামী এক মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় দোকানদারদের দখলকৃত জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। দোকানদাররা আর রাস্তা, ফুটপাত বা খালি জায়গা দখল করে মালামাল কিংবা হোটেল-রেঁস্তোরার চুলা রাখতে পারবে না।

অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকানের বর্ধিত অংশও ভেঙে ফেলতে হবে। এরপর থেকে দোকানের নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে এক ইঞ্চিও ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

ডিএনসিসি মেয়র আনিসুল হক এক মতবিনিময় সভায় এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ডিএনসিসি। এতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতিসহ রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

সভায় আনিসুল হক বলেন, ‘মার্কেটের ভেতরে চলাচলের জায়গায় এবং ফুটপাতের ওপর কোনোভাবেই মালামাল রাখা যাবে না। দোকানের আঙিনা এবং দোকানের সামনে ও পেছনের রাস্তা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোনোভাবেই রাস্তায় বা ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। ’

আনিসুল হক আরো বলেন, ‘মার্কেটের সামনে যত্রতত্র অবৈধ গাড়ি পার্কিং ঠেকাতে দোকান মালিকদের সহযোগিতা করতে হবে। কাঁচাবাজার ও রেস্তোরাঁগুলোর উচ্ছিষ্ট ময়লা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুটপাত ও মার্কেটের অভ্যন্তর হকারমুক্ত রাখতে সহযোগিতা করতে হবে। ’ এ সময় অবৈধভাবে ফুটপাত ও জায়গা থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য মেয়র প্রথমে এক সপ্তাহ সময় দেন। পরে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের অনুরোধে তা বাড়িয়ে এক মাস করেন। এক মাসের মধ্যে এ নির্দেশ পালন না করা হলে এরপর থেকে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনে দোকান সিলগালা করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আনিসুল হক বলেন, ‘আমাদের ৪৩টি মার্কেটের ১৫ হাজার ৬৫৬টি দোকান রয়েছে। এ ছাড়া আরো দেড় লাখ দোকান রয়েছে। এসব দোকানের মালামাল বেশির ভাগই বাইরে রাখা হয়। রেস্তোরাঁ ভেতরে থাকলেও চুলা থাকে বাইরে। দোকানের বাইরে এক ইঞ্চি জায়গাতেও কেউ মালামাল রাখতে পারবেন না। আপনারা নিজেদের মতো করে ডাস্টবিন করুন। সেখানে আবর্জনা রাখুন। সিটি করপোরেশন নির্দিষ্ট সময়ে সেখান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করবে। ’

মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এস এ কাদের কিরণ, বাজার পর্যবেক্ষণ কমিটির সভাপতি ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূরুল ইসলাম রতন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোবাশ্বের হোসেন প্রমুখ।


মন্তব্য