রাজশাহী ও ভোলায় সংঘর্ষ-331888 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বুধবার । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৩ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৫ জিলহজ ১৪৩৭


রাজশাহী ও ভোলায় সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ও ভোলা প্রতিনিধি   

৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



রাজশাহী ও ভোলায় সংঘর্ষ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহীর তানোর ও ভোলার বোরহানউদ্দিনে আওয়ামী লীগ ও এর সমর্থকদের দুই পক্ষের পৃথক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১৭ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গত বুধবার রাতে গণসংযোগে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভোলার বোরহানউদ্দিনের কুতুবায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই পক্ষই আওয়ামী লীগ সমর্থিত।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর তানোরে প্রার্থী বাছাই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

ভোলার ঘটনায় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভোলার কুতুবা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেম্বার প্রার্থী ফজলুল হকের কর্মী-সমর্থকরা গণসংযোগ করছিল। এ সময় ওই ওয়ার্ডের একই দল সমর্থিত মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের কর্মীরা তাতে বাধা দেয়। এর জের ধরে দুই মেম্বার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা হামলা-পাল্টাহামলা চালায়। সংঘর্ষে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম, তাঁর ভাই গিয়াস উদ্দিন, বারেক, ভাতিজা নজরুল ইসলাম, কর্মী আবুল কালাম, সালাউদ্দিন, বাপ্পা, মুন্না, মেম্বার প্রার্থী ফজলুল হক, আমির হোসেনসহ অন্তত ১২ জন আহত হন।

এ ব্যাপারে মেম্বার প্রার্থী ফজলু হক বলেন, ‘আনোয়ারুল ইসলাম নিজে তাঁর এক কর্মীকে মারধর করেন। এ ছাড়া তাঁর গণসংযোগে বাধা প্রদান করেন। অন্যদিকে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর ফজলুল হকের কর্মী-সমর্থকরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে পাঁচজন আহত হয়।

এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফিরোজ আলম খান জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তানোরের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে তানোরের লালপুর মডেল কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। একপর্যায়ে দুপুর ২টার দিকে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দীন এবং একই ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রইস উদ্দীন বাচ্চুর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারতে থাকে। বিক্ষব্ধ নেতাকর্মীরা কয়েকটি চেয়ার ভেঙেও নিজেদের মধ্যে মারপিট করতে থাকে। পরে এমপির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তানোর থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক জানান, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে একটু উত্তেজনাকর পরিস্থিতি হয়েছিল। তবে পরে তা শান্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মন্তব্য