আদালতে হাজির না হলে খালেদার বিরুদ্ধে-331594 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা

আদালতে হাজির না হলে খালেদার বিরুদ্ধে পরোয়ানা হতে পারে

আদালত প্রতিবেদক   

৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে জারি করা সমনের প্রতিবেদন আজ বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থাপন করা হবে। আজ এ মামলায় খালেদা জিয়ার আদালতে হাজির হওয়ার তারিখ ধার্য রয়েছে। আদালতে হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। 

দাখিল করা ওই প্রতিবেদন গত ২ ফেব্রুয়ারি হাকিমের নির্দেশে মামলার নথিতে যুক্ত হয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম মো. রাশেদ তালুকদার প্রতিবেদনটি গ্রহণ করে নথিতে সংযুক্ত করার আদেশ দেন। নিয়ম অনুযায়ী আজ ধার্য তারিখে এ বিষয়ে আদেশ হওয়ার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ আহমেদ গাজী বলেন, আইন অনুযায়ী সমন জারি করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদন দাখিল হওয়ার পর নথিতে যুক্ত হয়েছে। এখন আদেশের অপেক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী আসামি আদালতে হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার বিধান রয়েছে।

গতকাল বুধবার রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া তাঁর (খালেদা) আদালতে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি। সানাউল্লাহ মিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাতে ম্যাডামের সঙ্গে বৈঠক আছে। এরপর জানাতে পারব তিনি আদালতে যাবেন কি না।’

দাখিল করা প্রতিবেদনে আদালতের সমন জারিকারক (বার্তাবাহক) জাবিদ হোসেন জানান, গত ২৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে দায়িত্বপূর্ণ কেউ সমন গ্রহণ করতে রাজি না হওয়ায় তিনি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনের ফটকে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের সমনটি পড়ে শোনান এবং তা ফটকে সাঁটিয়ে দেন।  

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্যের জের ধরে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গত ২৫ জানুয়ারি মামলা করেন আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন আহমদ। এ মামলায় ৩ মার্চ (আজ) তাঁকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন আদালত।

মামলার আরজিতে বলা হয়, খালেদা জিয়া গত বছরের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ‘আজকে বলা হয় স্বাধীনতাযুদ্ধে ৩০ লাখ লোক শহীদ হয়েছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কত লোক শহীদ হয়েছেন তা নিয়ে বিতর্ক আছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগে কোনো মুক্তিযোদ্ধা নাই, যারা আছে তারা সবাই ভুয়া।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে খালেদা জিয়া দাবি করেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন।’

মন্তব্য