kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শাহজালালে ১০০০ এটিএম কার্ড জব্দ

৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ব্যাংকের বুথে যন্ত্র বসিয়ে কার্ড স্কিমিং (ডাটা চুরি) করে জালিয়াতির ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক হাজার এটিএম কার্ড জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গতকাল বুধবার সকালে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে পরিত্যক্ত অবস্থায় কার্ডগুলো পাওয়া যায়।

গতকালই হংকং এয়ারলাইনসের (টিজি-৩২১) ফ্লাইটে হংকং থেকে ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের ফ্রেইট ইউনিটের মাধ্যমে চালানটি আনা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান কালের কণ্ঠকে জানান, কোনো ধরনের বিল এন্ট্রি ছাড়া চালানটি শাহজালালের কার্গো হাউসে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে পাঁচটি কার্টন খোলা হলে একটি কার্টনভর্তি এক হাজার এটিএম কার্ড ও বাকি চারটি কার্টনে বাণিজ্যিক মালামাল পাওয়া যায়। তিনি বলেন, চালানটির সঙ্গে আমদানিকারকের কোনো কাগজপত্র নেই। প্রকৃত মালিকের হদিস পাওয়া যায়নি।

ঢাকা কাস্টমস হাউসের উপকমিশনার রিয়াজুল ইসলাম বলেন, সঠিক কাগজপত্র ছাড়াই হংকং থেকে ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঁচটি কার্টনে করে এক হাজার জাল এটিএম কার্ড আসে শাহজালাল বিমানবন্দরে। এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া চলছে।

গত ৬ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তিনটি বেসরকারি ব্যাংকের ছয়টি বুথে ‘স্কিমিং ডিভাইস’ বসিয়ে তথ্য চুরির পর এটিএম কার্ড ক্লোন করে গ্রাহকের অজান্তে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ খবর গণমাধ্যমে এলে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে এটিএম বুথের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে এক বিদেশি নাগরিক ও তিন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পুলিশ বলছে, এটিএম কার্ড জালিয়াতিতে ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জড়িত রয়েছে বলে গ্রেপ্তার বিদেশি নাগরিক পিওতর তথ্য দিয়েছেন। পিওতর বলেছেন, তথ্যবিহীন বা ব্লাংক এটিএম কার্ড বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এরপর এটিএম বুথের সুবিধাজনক জায়গায় অতিক্ষুদ্র ক্যামেরা বসিয়ে চুরি করা হয় গ্রাহকের পিন নম্বর।


মন্তব্য