এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো-331563 | খবর | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি

সংবাদ সম্মেলনে সুজন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



‘২০১৩ সালের পর এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করছে না। মানসম্মত নির্বাচন না হওয়ায় কমিশনের ওপর প্রার্থীদের আস্থা নেই।’ গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন আয়োজিত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন সুজন সভাপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান। এতে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হাফিজ উদ্দিন খান আরো বলেন, ‘আমরা সুজন-এর পক্ষ থেকে বলেছি, দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফল শুভ হয় না। আমরা বিগত পৌর নির্বাচনেও তা দেখেছি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলভিত্তিক করার সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত হয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যেসব অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর মধ্যে মনোনয়ন বাণিজ্য; মনোনয়নপত্র দাখিলে বাধা ও ছিনিয়ে নেওয়া; যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রভাবিত হয়ে বা অর্থের বিনিময়ে প্রার্থিতা বাতিল বা প্রার্থিতা বৈধকরণ; প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা বা প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করা, অভিযোগ দায়েরের পরও ব্যবস্থা না নেওয়া; এক ইউনিয়নে একটি রাজনৈতিক দল থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও নির্বাচনী আইন অনুযায়ী সব বাতিল না হওয়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।’

দিলীপ কুমার আরো বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ বেশ দূরে থাকলেও এখন থেকেই সংঘর্ষ শুরু হওয়া; ২৫টি ইউনিয়নে শুধু আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল; ১১৪টি ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী না থাকা, অতীতের তুলনায় প্রার্থী কমে যাওয়া; দক্ষ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীর পরিবর্তে অযোগ্যদের মনোনয়ন প্রদানের অভিযোগগুলোকে আমরা নেতিবাচক বলে মনে করছি। ৭৩৮টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ১২ জন নারীর (ছয়জন আওয়ামী লীগ ও ছয়জন বিএনপি থেকে) চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নকেও আমরা উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছি।’

ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হলফনামা প্রদানের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমরা কয়েকজন মিলে হাইকোর্টে এ বিষয়ে মামলা করেছিলাম। যেদিন এ মামলার রায় হওয়ার কথা সেদিন সিনিয়র জজকে আপিল বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে রায় হয়নি। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর আমরা এ বিষয়ে আবারও উদ্যোগ নিব।’ তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার জনগণের দোরগোড়ার সরকার। আর তাই এ নির্বাচনে যদি সৎ ও যোগ্য লোক নির্বাচিত হয়ে না আসে, তাহলে তা আপামর জনগণের জন্য কখনোই কল্যাণ বয়ে আনবে না।’ সংবিধানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রজাতন্ত্র হবে গণতন্ত্র, গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচন দরকার। আর নির্বাচন হতে হবে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য।’ ড. মজুমদার আরো বলেন, ‘এবারে নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা গড়ে ৪.৮২ শতাংশ।

মন্তব্য