kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সফলতা আনে দেহের ভাষাও

২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সফলতা আনে দেহের ভাষাও

আমেরিকার হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী অ্যামি কাডি মানুষের ‘অঙ্গভঙ্গি’ বিশেষজ্ঞ। তাঁর মতে, মানুষের আত্মবিশ্বাস থেকে শুরু করে ক্ষমতা ফুটে ওঠে তার দৈহিক ভাষায়।

পক্ষান্তরে বলা যায়, দৈহিক অঙ্গভঙ্গি দেহ ও মনের চূড়ান্ত সমন্বয় তুলে ধরে। অর্থাৎ এ ভাষা ব্যবহার করেও আপনি নিজেকে অনেকাংশে অন্যের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন। আর এই উপস্থাপনের ওপর অনেকটা নির্ভর করে আপনার সফলতা। বার্ডি বলছেন, দেহের ভাষায় অন্তত তিনটি বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলতে হবে। সেই তিনটি বৈশিষ্ট্য নিয়েই আজকের আলোচনা—

১. নিজের গল্পে নিজের বিশ্বাস : মানুষের মাঝে আপনি যখন নিজের কথা বলছেন, তখন সবার চোখ ও কান আপনার দিকে। এ ক্ষেত্রে আপনার প্রধান কাজ হলো নিজের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করা। এটি না করতে পারা মানে হলো, আপনার মধ্যে অবিশ্বাস ফুটে উঠবে। আর নিজের মধ্যেই যদি অবিশ্বাসের ছাপ থাকে, তাহলে অন্যদের বিশ্বাস করাবেন কিভাবে? নিজের চিন্তা ও মতামত দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে চাইলে ‘খাঁটি’ হতে হবে; কৃত্রিমতা চোখে-মুখে ফুটে ওঠে।

২. আগ্রাসী না হওয়া : একজন সফল ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করে কাডি জানান, আগ্রাসী মনোভাব বা অতিরিক্ত শক্তিমত্তার প্রকাশ বিরক্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। অন্যের কাছে শতভাগ গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে দরকার আত্মবিশ্বাসের প্রদর্শন। আপনার সঙ্গে মেশার ক্ষেত্রে মানুষ যত সংযত হবে, আপনার সফলতার সম্ভাবনা ততই কমে যাবে।

৩. মৌখিক ও দৈহিক ভাষার সমন্বয় : মানুষ যখন উদ্দেশ্যমূলকভাবে কাউকে ঠকানোর চেষ্টা করে, তখন তার মুখের ভাষা ও অঙ্গভঙ্গি অসংলগ্ন হয়ে ওঠে। কারণ হিসেবে কাডি বলেন, এ সময় ব্যক্তি মুখে যা বলছেন, মন তা বলছে না। এ কারণে মুখের কথা ও আচরণে পার্থক্য সৃষ্টি হয় এবং তা সহজে চোখে পড়ে। আর যদি মনের সঙ্গে বেইমানি না করেন, তাহলে আপনার দেহের ভাষাই বলে দেবে, আপনি যোগ্যতম এবং সবার চেয়ে এগিয়ে।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য