kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নিম্ন আদালতের দুই বিচারকের কাছে ব্যাখ্যা চাইলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারের সংরক্ষিত ক্যাশ রুমে বুকিং সহকারী ইস্রাফিল হোসেন হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটি বিচারের জন্য কেন দায়রা আদালতে পাঠানো হয়নি, সে বিষয়ে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে একটি ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলাটি কোন কর্তৃত্ববলে শিশু মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে সে বিষয়ে রংপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ (প্রথম আদালত) মো. রোকনুজ্জামানকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

উভয় বিচারককে ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার পৃথকভাবে এ আদেশ দেন। ওই দুই মামলায় দুই আসামির করা পৃথক দুটি জামিন আবেদনের ওপর শুনানিকালে এ আদেশ দিলেন হাইকোর্ট। আদালত উভয় আসামির জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। ইস্রাফিল হত্যা মামলায় আসামি আবু তালেব খাঁ এবং রংপুর আদালতের মামলায় আসামি দেলোয়ার জামিন আবেদন করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর খুন হন ইস্রাফিল হোসেন। এ ঘটনায় ওই দিনই স্টেশন মাস্টার সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। মামলায় তালেবকে সেদিনই পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর তালেবসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ওই মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করেন তালেব, যা গত বছরের ২২ নভেম্বর খারিজ হয়। এরপর তালেব হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। এ আবেদনের ওপর গতকাল শুনানি হয়।

গত বছরের ১২ অক্টোবর রংপুরের পীরগাছায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়। এ অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পীরগাছা থানায় মামলা হয়। ঘটনার দিনই দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলাটির তদন্ত চলছে।


মন্তব্য