kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শতাধিক ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



শতাধিক ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান

গতকাল গ্রিনরোড এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় রাজউক। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চলমান অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান জোরদার হচ্ছে। গতকাল সোমবারও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক তিনটি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছেন।

অভিযানে বেশ কিছু ভবনের নকশাবহির্ভূত অংশ ভেঙে দেওয়াসহ সংশ্লিষ্টদের ইমারত নির্মাণ আইনে ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গুলশান, উত্তরা ও ধানমণ্ডি এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জি এম জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা নকশাবহির্ভূত ভবন ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান পরিচালনা করছি। রাজধানীর যানজট নিরসনে এ অভিযানের কোনো বিকল্প নেই। যারা এখনো পার্কিং স্পেস বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছ তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে, প্রচলিত আইন মেনে নিজ উদ্যোগে পার্কিং খালি করে ফেলুন। এ ব্যাপারে আপস করার সুযোগ নেই। ’

রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিন ও অথরাইজড অফিসার আ জ ম শফিউল হান্নানের নেতৃত্বে পান্থপথ রোড ও ফার্মগেট এলাকায় গতকাল অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পার্কিং এরিয়াকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে ভবনের নিচ তলায় পার্কিং স্পেস না রেখে দোকান করায় ‘ফার্মভিউ সুপারমার্কেটকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। নিজ দায়িত্বে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের এক মাস সময় দেওয়া হয়। পার্কিংয়ের জায়গায় বইয়ের দোকান করায় ‘আইডিয়াল কমার্স কলেজ’ কর্তৃপক্ষকে তিন লাখ টাকা জরিমানা এবং দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। যায়েদ ম্যানশন, ৭৮ গ্রিন রোডের বাড়ির পার্কিংয়ের স্থলে রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য দোকানপাট করায় এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে এক মাসের মধ্যে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য মুচলেকা নেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নকশা দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং অপর্যাপ্ত পার্কিং স্পেস থাকায় ‘গ্রিনভিউ সুপারমার্কেট’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও দুই দিনের মধ্যে নকশা দেখাতে বলা হয়। অভিযানের সময় জোন-৫-এর পরিচালক (যুগ্ম সচিব) শাহ আলম চৌধুরী ও রাজউকের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুলিশ উপস্থিত ছিল।

রাজউকের জোন-৪-এর আওতাধীন এলাকায় গুলশান-১-এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে গুলশান শপিং সেন্টারের নিচ তলার ৭০টি দোকান উচ্ছেদ এবং ভবনের সামনে ফুটপাতের ওপর নির্মিত র্যাম্প অপসারণ করা হয়। এ সময় ইমারত নির্মাণ আইনে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

উত্তরায় রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার জাকির হোসেন ও অথরাইজড অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন ভবনের মালিককে পার্কিংয়ের স্থানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের দায়ে আট লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ভবনের সামনে ফুটপাতের ওপর নির্মিত র‌্যাম্পও অপসারণ করা হয়।


মন্তব্য