kalerkantho

ব্যক্তিত্ব

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

ফ্রেদেরিক মিস্ত্রাল

ফ্রেদেরিক মিস্ত্রালের জন্ম ফ্রান্সের মাইয়ান গ্রামে ১৮৩০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। তাঁর বাবা ফ্রান্সের রোন নদীর উপত্যকার সম্ভ্রান্ত কৃষক ছিলেন। এই রোন উপত্যকায় মিস্ত্রালের শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাঁকে ছোটবেলায়ই বিমোহিত করে। ফলে তখন থেকেই তাঁর মধ্যে কাব্যিক প্রতিভার জন্ম হয়। তিনি পড়াশোনা করেছেন আভিনিয়ঁ কলেজে। কলেজজীবনেই তিনি হোমার, ভার্জিল এবং অন্যান্য বিখ্যাত লেখকের সাহিত্য পড়ে ফেলেছিলেন। পরে তিনি আইন বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা শুরু করেন। আইনশাস্ত্রে পড়লেও তাঁর মধ্যে কাব্যচর্চার প্রেরণা সর্বদা জাগরূক ছিল। ১৮৫১ সালে তিনি পুরোদমে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। তাঁর সাহিত্যচর্চায় সঙ্গী হয়েছিলেন তাঁর বেশ কিছু বন্ধু। এই বন্ধুদের সঙ্গে মিলেই তিনি ফ্রান্সের বিখ্যাত অক্সিটান সাহিত্যের পুনরুজ্জীবনে একসঙ্গে কাজ শুরু করেন। তাঁদের প্রাথমিক কাজ ছিল একটি সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ, এটির নাম ছিল ‘আলমানাক দ্য প্রোভাঁস’। এ সময় তিনি তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য ‘মিরেইও’ রচনা করেন। এর বিষয়বস্তু ছিল এক কিশোরীর প্রেমের আকুতি। এটি পাঠ করে বিখ্যাত ফরাসি কবি আলফোঁস দ্য লামার্তিন বলেছিলেন—‘এক মহান কবির জন্ম হলো।’ ১৮৫৮ সালে তিনি মেরি বিভিইরি নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন। তিনি তাঁর কাব্যে বাল্যকালের স্মৃতিবিজড়িত রোন নদীর গতিপথের দুই পাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ণনা করেছেন। ১৯০৪ সালে তিনি স্পেনীয় সাহিত্যিক হোসে এচেগারাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। শেষ জীবনে তিনি ব্রংকাইটিস রোগে আক্রান্ত হন। ১৯১৪ সালের ২৫ মার্চ তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

 

মন্তব্য