kalerkantho

ব্যক্তিত্ব

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ব্যক্তিত্ব

সিমোন দ্য বোভোয়ার

লেখক, নারীবাদী ও সমাজতত্ত্ববিদ সিমোন দ্য বোভোয়ারের পুরো নাম সিমোন লুসি এর্নেস্তিন মারি বেরত্রাঁ দ্য বোভোয়ার। ফরাসি এই অস্তিত্ববাদী দার্শনিক সারা বিশ্বের নারীবাদী চিন্তকদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেন। ১৯০৮ সালের ৯ জানুয়ারি প্যারিসে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। দারিদ্র্যকে সঙ্গী করে সিমোন বেড়ে ওঠেন। মায়ের কষ্ট দেখে ছেলেবেলায়ই সিদ্ধান্ত নেন বিয়ে না করার, ১৫ বছর বয়সেই সিদ্ধান্ত নেন লেখক হবেন। সোরবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে পরিচয় হয় জ্যাঁ পল সার্ত্রের সঙ্গে। ১৯২৯ সালে তিনি দর্শনে অ্যাগ্রিগেশন পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান পান। একই পরীক্ষায় প্রথম হন জ্যাঁ পল সার্ত্রে। তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব, প্রেম ও গুরু-শিষ্যের জটিল এক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

১৯৪৩ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগের পটভূমিতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘সি কেম টু স্টে’ এবং ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় উপন্যাস ‘লা সেং ডেস অট্রিস’ প্রকাশিত হয়, যা রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৮২ সালে এই উপন্যাসকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘হেলেন’। ১৯৫৪ সালে আত্মজৈবনিক উপন্যাস ‘লেস ম্যান্ডারিন’ বা ‘দ্য ম্যান্ডারিন’ প্রকাশ পায়। ১৯৪৯ সালে দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয় তাঁর সবচেয়ে প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় বই ‘দ্য সেকেন্ড সেক্স’। বইটিতে তিনি লিঙ্গবৈষম্যের ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তিগুলো ব্যাখ্যা করেন। ১৯৫৮ সালে চার খণ্ডে তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়। ১৯৮১ সালে সার্ত্রের জীবনের শেষ বছরগুলোর স্মৃতি নিয়ে লেখেন ‘এ ফেয়ারওয়েল টু সার্ত্রে’। তাঁর বিখ্যাত উক্তি ‘কেউ নারী হয়ে জন্মায় না, বরং নারী হয়ে ওঠে।’ ‘দ্য সেকেন্ড সেক্স’ বইটি ‘দ্বিতীয় লিঙ্গ’ নামে বাংলায় অনুবাদ করেন হুমায়ুন আজাদ। ১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

 



মন্তব্য