আমাদের দেশেও এখন উবার আর পাঠাও অনেক পরিচিত। এসবের অভিজ্ঞতা নিয়ে একজন এরই মধ্যে শুরু করেছে ‘ট্রাক লাগবে’ মানে ট্রাক শেয়ারিংয়ের উদ্যোগ। ফেসবুককে কেন্দ্র করে দেশে সহস্রাধিক ব্যবসায়িক উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। সেগুলোর উদ্যোক্তাদের পক্ষে ১০ বছর আগেও নিজের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ার ব্যাপারটা শুধু স্বপ্ন ছিল। এ রকম উদাহরণ আরো দেওয়া যায়। তবে মোদ্দা কথা হলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সঙ্গে মানবিক সম্পর্কের বিকাশ যে নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে তার ছোঁয়া এ দেশেও এসে পড়েছে। শিল্প বিপ্লবের পর একটা জটিল সাপ্লাই চেইন গড়ে উঠেছিল—নকশা থেকে উৎপাদন, পণ্য বিতরণ, আমদানিকারক, পাইকারি আর খুচরা বিক্রেতার সমন্বয়ে। এর ফলে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে শত কোটি ধরনের পণ্য উৎপাদনের, বিপণনের এবং তা পৌঁছে যাচ্ছে ভোক্তার দুয়ারে। এভাবে শিক্ষাদান পদ্ধতিরও পরিবর্তন হয়েছে। সাপ্লাই চেইন ম্যানেজ করার লোক তৈরি করতে উঠেপড়ে লেগেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ফলে মৌলিক বিজ্ঞান চর্চার চেয়ে রাতারাতি অন্য ডিগ্রিগুলোর কেমন জানি কদর বেড়েছে। ইন্টারনেটের আবির্ভাব এবং বহুমুখী ব্যবহারের ফলে এ ব্যবস্থারই এক অভাবনীয় পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। হাভাস মিডিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট টম গুডউইন পরিবর্তিত ব্যবস্থাকে বর্ণনা করেছেন—বিশ্বের সবচেয়ে বড় ট্যাক্সি কম্পানি উবারের নিজের কোনো ট্যাক্সি নেই, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিডিয়া ফেসবুক কোনো কনটেন্ট তৈরি করে না, পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাইকার আলীবাবার কোনো গুদাম নেই এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসন প্রভাইডার এয়ারবিএনবির নিজেদের কোনো রিয়েল এস্টেট নেই। আর এসব কারণে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস সোয়াব প্রযুক্তির এই পরিবর্তনকে দেখছেন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হিসেবে। তিনি একে প্রগতি বলছেন না, বলছেন বিপ্লব। তিনি বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারকে প্রথম শিল্প বিপ্লব বলে চিহ্নিত করেছেন। পানি আর বাষ্পের ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধি। দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব হলো বিদ্যুৎ ব্যবহার করে গণ-উৎপাদন। তৃতীয় শিল্প বিপ্লব হলো ইলেকট্রনিকস আর ইনফরমেশন টেকনোলজির বিস্তার। গেল শতকের মাঝামাঝি সময়ে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের মাধ্যমে এই বিপ্লবের সূচনা হিসেবে দেখিয়েছেন। আর এই তৃতীয় বিপ্লবের ওপর ভর করেই বর্তমান ডিজিটাল বিপ্লব তথা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়েছে। এ হচ্ছে প্রযুক্তির এক ধরনের মিথস্ক্রিয়া, যার ফলে ভৌতজগৎ, ডিজিটালজগৎ আর জীবজগতের মধ্যে পার্থক্যটা হয়ে যাচ্ছে বায়বীয়। এটিকে তিনি তৃতীয় বিপ্লবের এক্সটেনশন হিসেবে মানতে নারাজ। কারণ গতি বলেন, স্কোপ বলেন কিংবা প্রভাব বলেন—কোনোটাই তৃতীয়টির ধারেকাছে নেই। একেবারে অন্য রকম। বর্তমানের এই যে উল্লম্ফন, এটির কোনো ঐতিহাসিক উদাহরণ নেই। বলা যায় এ পরিবর্তন হচ্ছে জ্যামিতিক হারে। আর এই পরিবর্তন প্রভাবিত করতে শুরু করেছে আমাদের জীবনের অলিগলি, বলা যায় জীবনের ৩৬০ ডিগ্রিকেই। ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দেওয়ার সময়ই আমাদের এই নতুন বিপ্লবে শামিল হতে সুযোগ করে দেন। ফলে আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদের নির্দেশিত পথে ক্রমেই আমরা এই বিপ্লবের জন্য নিজেদের তৈরি করতে শুরু করছি। যাঁরা অনেক দূর পর্যন্ত দেখতে পান না, সে সময় তাঁরা ঠিক বুঝতে সক্ষম হননি, কেন আমরা সবার জন্য কানেকটিভিটি, জনগণের হাতের মুঠোয় সরকারি সেবা নিয়ে যাওয়া, বিপ্লবের জন্য প্রয়োজনীয় জনসম্পদ তৈরি করা আর তথ্য-প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশ চেয়েছি। গত ৯ বছরে এই চারটি স্তম্ভের ক্রমাগত বিকাশের ফলে আজ আমরা নিজেদের প্রস্তুতি নিয়েই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মুখোমুখি হওয়ার সাহস পাচ্ছি। বিশ্বজুড়ে কয়েক শ কোটি লোকের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকা, অকল্পনীয় প্রসেসিং আর স্টোরেজ ক্ষমতা এবং জ্ঞানের রাজ্যে প্রবেশাধিকারের ফলে সভ্যতা যে কোথায় গিয়ে থিতু হবে, এখন তা চিন্তা করাটাও কঠিন। কারণ উন্মোচিত হয়ে গেছে এক নতুন দুনিয়া। প্রতিনিয়তই নিত্যনতুন প্রযুক্তির আবির্ভাবে সব কিছুতে একটা তোড়জোড় লেগে আছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, ইন্টারনেট অব থিংস, ত্রিমাত্রিক প্রিন্টিং, ন্যানোটেকনোলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, ব্লক চেইন, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, শক্তি সঞ্চয় কিংবা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং। আমরাও নিজেদের তৈরি করছি এই পথে। দেশজুড়ে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বিস্তার, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল এবং ছয়টি টেরেস্ট্রিয়াল কেবলের সংযোগের মাধ্যমে আমাদের ইন্টারনেট যোগাযোগ এখন বহুমুখী। দুই হাজার ৬০০ ইউনিয়নে পৌঁছে যাচ্ছে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল। ফলে ২০০৮ সালের আট লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন বেড়ে হয়েছে আট কোটি। প্রবৃদ্ধির হিসাবে তা শত গুণ। এভাবে ২০২১ সালের মধ্যে আমরা সবার জন্য ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করে ফেলব বলে আশা করছি। একটা সময় ছিল, যখন লোকজন সরকার বলতে সরকার বাহাদুরকে বুঝত, যা কিনা অনেক দূরের, ধরাছোঁয়ার বাইরে দৃশ্যমান কিন্তু অশরীরী সত্তা। আর এখন? ২০০টিরও বেশি সরকারি সেবা এখন মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। না, এ শুধু তথ্যসেবা নয়, ট্যাক্স রিটার্ন থেকে শুরু করে জমির পরচা, টাকা লেনদেন থেকে শুরু করে সরকারি ক্রয়—সবই এখন অনলাইনে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঘরে বসেই কয়েকটি ক্লিকে পাওয়া যায়। আর এসবের জন্য সরকারি অফিসগুলোকে বাঁধা হচ্ছে এক সুতায়। এরই মধ্যে ১৮ হাজার ১৩২টি সরকারি দপ্তরকে একটি ‘সরকারি ইন্টারনেট’-এর আওতায় আনা হয়েছে। শিগগিরই ইউনিয়ন পর্যায়ের সব অফিসও একটি ‘সরকারি ইন্টারনেট’-এর আওতায় চলে আসবে। ব্রডব্যান্ড আর ইন্টারনেটের প্রসারের ফলে আমাদের শিক্ষার্থীরা এখন সহজে যুক্ত হতে পারছে জ্ঞানের মহাসড়কে। এর পাশাপাশি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যাতে ক্রমান্বয়ে রোবটিকস, বিগ ডাটা অ্যানালিটিকস কিংবা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সে জন্য বানানো হচ্ছে ১২৯টি বিশেষায়িত ল্যাব। এরই মধ্যে বুয়েট, ঢাবি, শাবি, জাবিসহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা বিশেষায়িত ল্যাব গড়ে তুলেছি। প্রতিনিয়ত গড়ছি। কারণ এ এক চলমান প্রক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পড়ালেখা যাতে বাজারের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে সে জন্য ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদার করা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমস্যা সমাধানের সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানের সদ্য স্নাতকদের জন্য মাসিক দুই লাখ টাকা মানের হাই প্রফাইল আইসিটি ফেলোশিপ চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে হাতে নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। লক্ষ্য নতুন নতুন টেকনোলজি ও দক্ষতায় তাদের সুদক্ষ করে গড়ে তোলা। আমাদের সব আয়োজন যে শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য, তা নয়। মধ্যম সারির ম্যানেজারদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্যও আমরা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছি। একটা সময় ছিল, মনে করা হতো বাংলাদেশে কখনো হাইটেক শিল্প হবে না। এখানে কখনোই পণ্য উৎপাদন কিংবা সংযোজন হবে না। আমাদের জন্মই যেন আজীবন ভোক্তা হয়ে বেঁচে থাকার জন্য। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও গতিশীল নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টার দূরদর্শিতার কারণে দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতে আজ এক নতুন সংস্কৃতির সূচনা হয়েছে, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’। শুধু নিজেদের ব্র্যান্ড নয়, আমি নিশ্চিত স্যামসাং, এলজির হাত ধরে বিশ্বের বড় বড় নির্মাতা দেশে এসে পড়বেন। গড়ে তুলবেন তাঁদের কারখানা। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে আমরা আইটি আইটিএস রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনাও দিচ্ছি। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি নির্মাতাদের জায়গা দেওয়ার জন্য আমরা গড়ে তুলছি ২৮টি হাইটেক ও সফটওয়্যার পার্ক। এরই মধ্যে ঢাকায় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক সচল হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে যশোরের ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’। দেশের সব প্রান্তে ২৮টি হাইটেক পার্ক নির্মাণই প্রমাণ করে, দেশের সব প্রান্তকে একই কাতারে নিয়ে আসতে আমাদের সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা। পর্যায়ক্রমে সব জেলাতেই হাইটেক/সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি এখন বেসরকারি খাতের ১১টি স্থাপনা/প্রতিষ্ঠানকে আমরা হাইটেক পার্ক হিসেবে ঘোষণা করেছি, বিনিয়োগ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এসব পার্ক সরকারি পার্কগুলোর মতোই অনুরূপভাবে সুবিধা পাচ্ছে। নতুন বিপ্লবের সঙ্গে তাল মেলাতে বেসরকারি খাতের উন্নয়নও দরকার। তাই সরকারি-বেসরকারি খাতের মেলবন্ধনের রাস্তা আমরা প্রশস্ত করেছি। আইটি খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মানোন্নয়নের জন্য এই প্রথমবারের মতো কোনো সরকার কাজ করছে। এরই মধ্যে প্রায় অর্ধশত প্রতিষ্ঠান সিএমএমআই লেভেল-৫, লেভেল-৩, আইএসও ইত্যাদি সনদ পেয়ে নিজেদের বিশ্বমানে উন্নীত করেছে। গড়ে উঠেছে জুমশেপারের মতো আইসিটি প্রতিষ্ঠান, যা জুমলাভিত্তিক আইটি কম্পানিগুলোর মধ্যে বিশ্বে চতুর্থ। দেশে কাজের সুযোগ পেয়েছে বলে আজ টাইগার আইটি বা দোহাটেকের মতো কম্পানি নেপাল কিংবা ভুটানের কাজ পাচ্ছে। ডাটাসফটের মতো কম্পানি জাপানের ১০ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট স্মার্ট করার কাজও পেয়েছে। রিভ সিস্টেমের মতো কম্পানি রাশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরদের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। আগের বিপ্লবগুলোর মতো এ বিপ্লবও পৃথিবীর মানুষের আয় বাড়ানো এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এক নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তবে এ সুযোগ হবে তাদের জন্য, যাদের এই নতুন জগতে অবারিত প্রবেশাধিকার থাকবে, যারা এর সুফলটা নিজের ঘরে তুলতে পারবে। তাই সবার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগের দ্বার উন্মোচন করা জরুরি; তথ্য-প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া, সরকারি সেবা সহজলভ্য করা এবং বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এ পথেই আমরা আমাদের প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর নিজেদের দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছি। স্বাধীনতার প্রায় ৪৬ বছর পর আমরা মাথাপিছু আয়ে পাকিস্তানকে অতিক্রম করেছি, নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। গবেষণালব্ধ সব তথ্য-উপাত্ত বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা বিশ্বের প্রথম ২৫টি অর্থনীতির দেশের একটিতে পরিণত হব। আর আমাদের এই প্রস্তুতি এবং বিশ্বজুড়ে নতুন বিপ্লবের রণ-হুংকারের সঙ্গে দেশবাসীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বরাবরের মতো আয়োজন করেছে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭। ৬ থেকে ৯ ডিসেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের এই আয়োজনে বিশ্বের প্রথম সোশ্যাল রোবট ‘সোফিয়া’ থেকে শুরু করে আমাদের তরুণদের বানানো রোবটও থাকবে। একাধিক দেশের মন্ত্রীরাসহ বিশ্বের খ্যাতনামা প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তুলে ধরবেন আগামী দিনে বিশ্বের গতি-প্রকৃতি এবং সে যাত্রায় এগিয়ে থাকার যোগ্যতা ও করণীয় কী কী। আর আমরা জানাব আমাদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার কথা। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই। লেখক : সংসদ সদস্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী