kalerkantho


হলুদ সাংবাদিকতার অন্তরালে

চিন্ময় মুৎসুদ্দী

১৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



হলুদ সাংবাদিকতার অন্তরালে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের ওপর মহাখেপা। তাঁদের তিনি আখ্যা দিয়েছেন পৃথিবীর সবচেয়ে ‘অসৎ মানুষ’।

গণমাধ্যমকে বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু। হোয়াইট হাউসের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বিবিসি, সিএনএন, নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ কয়েকটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনা ও তাঁর এসব মন্তব্য মিডিয়ায় ফলাও করে প্রকাশ ও প্রচার করা হলেও সাংবাদিকসমাজ ট্রাম্পের এ ব্যবহার ও কথায় তেমন অবাক হয়নি। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চরিত্রের দিকটা তাদের জানা বলেই বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ করা তারা প্রয়োজন মনে করেনি। ট্রাম্পের উদ্ভট আচরণ গণমাধ্যমে সমালোচিত হওয়ায় এটা যে তাঁর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তা স্পষ্ট।

কিন্তু মিডিয়া সম্পর্কে বারাক ওবামা কোনো অভিযোগ তুললে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকরা তা গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা শুরু হতো অভিযোগের কারণ ও যথার্থতা অনুসন্ধানে।

এখন এ দুটি উদাহরণের পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ট্রাম্পের মন্তব্যের ভিত্তি যে হলুদ সাংবাদিকতা নয়, সেটা সবাই বুঝেছে। এটা ক্ষুদ্র মনের এক অসহিষ্ণু ব্যক্তির প্রলাপ। ওবামা অভিযোগ করলে মিডিয়ার ভূমিকা হলুদ সাংবাদিকতায় পড়ল কি না ভাবত অনেকে।

কারো কাছে সুবিধা চেয়ে না পেয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রকাশ করা বা বিপক্ষে প্রতিবেদন করার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করাও সাধারণত হলুদ সাংবাদিকতা বলে গণ্য করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের দিকে চোখ ফেরানো যাক।

আশির দশকে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় পাস করা এক মেধাবী শিক্ষার্থী একটি দৈনিক পত্রিকায় রিপোর্টারের চাকরি নিলেন। তিন মাস কাজ করার পরও বেতন না পেয়ে দেখা করলেন মালিক-সম্পাদকের সঙ্গে। অভিযোগ শুনে মালিক অবাক। তিনি রিপোর্টারকে বললেন, ‘কেন, তোমারে কার্ড দিসি না?’ তিনি পরিচয়পত্র বোঝাচ্ছিলেন। ইঙ্গিত ছিল ওই কার্ড দিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা আদায় করে নেবে সাংবাদিক। ওই শিক্ষার্থী সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যান।

কালের কণ্ঠ’র রিপোর্টে (হলুদ সাংবাদিকতার শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা, ১১ জানুয়ারি ২০১৭) হুমকি দিয়ে, মিথ্যা রিপোর্ট করার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের যে ঘটনার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে  সেটা তো ওই মালিক-সম্পাদকের দেখানো পথ। আইডি কার্ড দেখিয়ে টাকা আদায়ের অনৈতিক এ সাংবাদিকতা হলুদ সাংবাদিকতা হিসেবেই এখন চিহ্নিত।

হলুদ সাংবাদিকতার সূত্রপাত ঊনবিংশ শতাব্দীতে। জসেফ ক্যাম্পবেল হলুদ সাংবাদিকতা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন গুরুত্বহীন সংবাদ বড় করে দেওয়া, গুজব-গুঞ্জন ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশ করা, নামহীন সূত্রের অত্যধিক ব্যবহার। ১৮৯৮ সালের স্পেন-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জন্য হলুদ সাংবাদিকতা অনেকাংশে দায়ী বলে মনে করা হয়। মার্কিন পত্রিকাগুলো তখন এমন কিছু সংবাদ প্রকাশ করেছিল, যা সত্য নয়। অতিরঞ্জিত ও অসত্য এসব খবর দুই পক্ষকেই উত্তেজিত করে আক্রমণের জন্য। এ ফাঁকে পত্রিকার প্রচারসংখ্যা বেড়ে যায়।

এরই ধারাবাহিকতায় বিংশ শতাব্দীর শুরুতে নিউ ইয়র্ক শহরের পত্রিকাগুলো সার্কুলেশন বাড়ানোর জন্য এক অশুভ প্রতিযোগিতা শুরু করে। বিভ্রান্তিকর শিরোনাম, ভুয়া সাক্ষাৎকার, ছবির অতিরিক্ত ব্যবহার, আন্ডারডগদের জন্য নাটকীয় সমর্থন পত্রিকার বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠে। তখন অবশ্য চাঁদাবাজি ছিল না। সে সময় দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পুলিত্জার ও হার্স্ট-এর লড়াইয়ের একপর্যায়ে কার্টুনিস্ট নিয়ে টানাটানিতে হার্স্ট জিতলেও কমিক চরিত্রটি পুলিত্জারের কাছেই থেকে গেল। পুলিত্জারের নিউ ইয়র্ক ওয়ার্ল্ডের কমিক চরিত্র ‘ইয়েলো কিড’ অনুসারেই অশুভ প্রতিযোগিতার এ লড়াই ইয়েলো সাংবাদিকতা নামে অভিহিত হলো।

 

সার্কুলেশন বাড়ানোর অশুভ প্রতিযোগিতা এখনো আছে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সুসাংবাদিকতার মাধ্যমে প্রচারসংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করে থাকে কমসংখ্যক মিডিয়া প্রতিষ্ঠান। কয়েকটি দেশ বাদে সারা বিশ্বের জন্য এ মন্তব্য প্রযোজ্য। বড় বড় মিডিয়া হাউস কৌশলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পরোক্ষ সুবিধা আদায় করতে পারে। মিডিয়া হাউস মালিকের অন্য ব্যবসায় বাড়তি সুবিধা নিয়ে মিডিয়ায় তার প্রতিদান দেওয়া হয়। এটা পেইড নিউজের আরেক রূপ। এটাকেও এখন হলুদ সাংবাদিকতা বলা যায়।    

ভারতীয় চলচ্চিত্রাভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের একটি ছবি নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া যে কাণ্ড ঘটিয়েছে গত বছর, তা হলুদ সাংবাদিকতার পর্যায়ে পড়ে। যে ইঙ্গিতে প্রথমে একটি ছবি প্রকাশ করা হয় ও এ পরিপ্রেক্ষিতে পরে আরো একাধিক ছবি ছাপানো হলো, তা বাস্তবের প্রতিফলন হলেও ছিল উদ্দেশ্যমূলক। দীপিকার সেই ছবিগুলো স্বাভাবিক নিয়মে ছাপানো হলে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বলা যেত। কিন্তু দীপিকার প্রতিবাদের পর যৌন আবেদন তৈরি করে এমন ছবিগুলো একসঙ্গে প্রকাশ করে টাইমস অব ইন্ডিয়া আসলে এসব ছবি ছাপানোর একটা কৌশল কার্যকর করেছে, যা উদ্দেশ্যমূলক। প্রচার বাড়ানোর এ প্রবণতাকে হলুদ সাংবাদিকতা বলা যায়।

বাংলাদেশে নামসর্বস্ব পত্রিকা আছে অসংখ্য। এরা সরকারের ছাড়পত্র পেলেও সাংবাদিকতা করে না। ইন্টারনেট থেকে সংবাদ ডাউনলোড করে কয়েক শ কপি ছেপে একে-ওকে ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে বিজ্ঞাপন বা নগদ টাকা সংগ্রহ করে। আবার সরকারের বিভিন্ন মহলে তদবির করে, কখনো কখনো দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সরকারি বিজ্ঞাপন জোগাড় করে, যে বিজ্ঞাপন আসলে তাদের পাওয়ার কথা নয়।     

দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী বা অসৎ চাকরিজীবীরাও অসৎ সাংবাদিকদের খুশি রাখার চেষ্টা করেন হাতে কিছু ধরিয়ে দিয়ে। অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকরাই এগিয়ে আসেন ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ে। দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করে টাকা দিলে ছাপানো হবে না বা প্রচার করা হবে না এমন নিশ্চয়তা দিয়ে অর্থ আদায় করেন এক শ্রেণির সাংবাদিক ও মিডিয়া মালিক। এটাকেই এখন আমরা হলুদ সাংবাদিকতার নিকৃষ্ট ধরন বলতে পারি।

বাংলাদেশে নিয়মিত পত্রিকা প্রকাশ করতে গেলে সরকারের অনুমতি লাগে। এখানেই ফাঁকিটা রয়েছে। সরকারি নথিতে স্পষ্ট করে বলা নেই প্রকাশক ও সম্পাদকের যোগ্যতা প্রসঙ্গে। এটা অনেকটাই নির্ভর করে সরকারের ইচ্ছার ওপর। এ প্রক্রিয়ায় সাংবাদিকতায় বিন্দুমাত্র অভিজ্ঞতা নেই এমন ব্যক্তি সম্পাদক ও প্রকাশক হয়ে যাচ্ছেন। তাঁরাই আসলে হলুদ সাংবাদিকতার দক্ষ কারিগর।   

জাতীয় পর্যায়ে মিডিয়া পলিসি না থাকা ও প্রেস কাউন্সিলের আচরণবিধি পালনে সরকারি পর্যায়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে এক শ্রেণির সংবাদপত্র ও কয়েকটি প্রাইভেট টিভি অনৈতিক কার্যক্রম করে পার পেয়ে যাচ্ছে। সম্প্রচার নীতিমালায় সাংবাদিকতা ও মিডিয়ার স্বাধীনতা খর্ব করার সুযোগ তৈরি হলেও ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ প্রতিরোধে কোনো পদক্ষেপের কথা নেই স্পষ্ট ভাষায়। আবার রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে না চলার কারণে পেইড নিউজের ক্ষেত্র ক্রমেই বাড়তির দিকে। টাকা দিয়ে ইতিবাচক খবর ছাপানোর এ প্রক্রিয়া সুসাংবাদিকতার প্রধান শত্রুতে পরিণত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে এখনো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেনি।

নিয়মিত বেতন না দেওয়া বা স্বল্প বেতন দেওয়ার ব্যবস্থাটিও সাংবাদিকদের অনৈতিক পথে ঠেলে দিচ্ছে বলা যায়। মিডিয়ায় করপোরেট পুঁজি বিনিয়োগ করা হলেও তা প্রফেশনাল রূপ লাভ করেনি। বিনিয়োগকারী নিজেই সব নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। প্রফেশনাল ক্ষেত্রটিতে অপেশাদার ব্যক্তির ভিড় বাড়িয়ে সাংবাদিকতার উত্কর্ষ বিসর্জন দিচ্ছেন অনেকে। আদর্শ বা নীতিবোধ গৌণ তাঁদের কাছে।

এক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয় কোনো অনুসন্ধান ছাড়া। এ ধরনের প্রক্রিয়াও মিডিয়াজগতে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। ১৯৯৯ সালে তখনকার একজন উপমন্ত্রী সম্পর্কে দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা, আজকের কাগজ ও দৈনিক দিনকালে  প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বক্তব্য দৈনিক ইত্তেফাকে (৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯, পৃ. ১৬) দেখা যায় অনেকটা বিজ্ঞাপনের মতো করে। এভাবে বললাম কারণ বক্স আকারে প্রকাশিত বক্তব্যটির কোথাও কোনো নম্বর দেওয়া নেই, যা এ ধরনের বিজ্ঞাপনে সাধারণত দেওয়া হয়। সে কারণে নিশ্চিত হওয়া কঠিন এটি বিজ্ঞাপন, না সংবাদ। দৈনিক যায়যায়দিন (১২ মে ২০০৮) ও দৈনিক সংবাদে (১৩ মে ২০০৮) প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতিবাদ একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্পষ্টভাবে বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রকাশিত হয় দৈনিক যুগান্তরে (১৪ মে ২০০৮, পৃ. ৭)। এ রকম উদাহরণ আরো দেওয়া সম্ভব। এক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক অন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রকাশের রেওয়াজ আমাদের দেশে এখনো প্রচলিত আছে। সংশ্লিষ্ট পত্রিকা প্রতিবাদ না ছাপলে প্রেস কাউন্সিলে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সামর্থ্যবান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনেক সময় অন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করে। প্রকাশিত সংবাদকে অসত্য, বনোয়াট, উদ্দেশ্যমূলক আখ্যা দিয়ে এ ধরনের প্রতিবাদ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে মূল সংবাদটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। অনেক ক্ষেত্রে এ বিষয়ে কোনো সুরাহার খবর চোখে পড়ে না।

পাঠকের দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকেই যায়। প্রতিবাদীর বক্তব্য অনুযায়ী মূল সংবাদ প্রেস কাউন্সিলে বা আদালতে উদ্দেশ্যমূলক প্রমাণিত হলে সেই সংবাদ প্রকাশ হলুদ সাংবাদিকতা বলেই চিহ্নিত হবে। রাজনৈতিক সংবাদের সূত্র প্রকাশ না করার অপরাধে আদালত কর্তৃক সম্পাদকের কারাদণ্ডের দৃষ্টান্ত আছে। কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতার জন্য এ রকম কোনো দণ্ড কাউকে দেওয়া হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

দেশে পেশাদারি বজায় রেখেছে খুবই স্বল্পসংখ্যক মিডিয়া প্রতিষ্ঠান। এই দুর্বলতার পরিপ্রেক্ষিতে হলুদ সাংবাদিকতা দিন দিন বাড়ছে। শুরুতে প্রচার বাড়ানোর জন্য অশুভ প্রতিযোগিতাকে বলা হয়েছে হলুদ সাংবাদিকতা। এখন সব অনৈতিক কাজই হলুদ সাংবাদিকতা হিসেবে চিহ্নিত। ক্রমেই এর বিস্তার ঘটছে। এ কারণে মিডিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা এখন বড় ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন।  

আমরা সম্প্রচার নীতিমালা পেয়েছি। বিতর্কিত ধারা বাদ দিলে সে নীতিমালা সম্প্রচার ক্ষেত্রটির প্রসারে প্রণোদনা বলেই চিহ্নিত হবে।

প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও শৃঙ্খলার প্রয়োজন রয়েছে। হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধে এই শৃঙ্খলা জরুরি। আর এ জন্য প্রয়োজন সাংবাদিকতার নীতিমালা। পরবর্তী পর্যায়ে প্রেস কমিশন গঠনের মাধ্যমে এ নীতিমালার প্রয়োগে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে হলুদ সাংবাদিকতার রাশ টেনে ধরা যাবে। অন্তর্বর্তী সময়ে প্রেস কাউন্সিলের বর্তমান আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে কিছুটা সুফল পাওয়া সম্ভব।    

 

লেখক : সাংবাদিক, মিডিয়া বিশ্লেষক


মন্তব্য