kalerkantho


পরবর্তী নির্বাচনে সবার সমান সুযোগ এখন থেকেই নিশ্চিত হোক

কাজী সিরাজ

১৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



পরবর্তী নির্বাচনে সবার সমান সুযোগ এখন থেকেই নিশ্চিত হোক

শহীদ জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ও বিএনপির সিনিয়র নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ যথার্থই বলেছেন যে ‘নির্বাচনের তিন মাস আগে নয়, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে; এখন থেকেই সব দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। ’ বলার অপেক্ষা রাখে না যে একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল যাতে নির্বাচনী কাজে সরকার, সরকারি দল বা প্রশাসন কর্তৃক বাধাগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত থাকা খুবই জরুরি। এর মধ্যে পড়ে কোনো একটি নির্বাচনী এলাকায় বা সব নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন দলের বা দলবহির্ভূত সম্ভাব্য প্রার্থীকে মিথ্যা মামলা-মোকদ্দমা, ভয়ভীতি, পেশিশক্তি ও কালো টাকার চাপে ফেলে হয়রানি, প্রার্থীর কাছের আত্মীয়স্বজনকে বা ঘনিষ্ঠজনদের বিপদে ফেলে মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি, প্রার্থীর দলীয় বা নিজস্ব কর্মীদের গুম-হত্যার ভয়, মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়ে দেওয়া, সব প্রার্থীকে সমমর্যাদার দৃষ্টিতে না দেখা—অর্থাৎ কেউ ভিআইপি প্রার্থী আর কেউ সাধারণ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধ্য হওয়া, প্রার্থীর দলীয় বা ব্যক্তিগত (নির্দল প্রার্থীর ক্ষেত্রে) সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগে বাধা দেওয়া, প্রার্থীর দলীয় কার্যালয় বা নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দলবিশেষের পক্ষে ভূমিকা রাখা ইত্যাদি। কারো কারো এমন একটা ধারণা থাকতে পারে যে সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত উপরোল্লিখিত বিষয়গুলোর ব্যাপার নিশ্চিত হলেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে। নির্বাচনকালে প্রতিদ্বন্দ্বী সব দল ও ব্যক্তির সামনে নির্বাচনের অনুকূল নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আগে যদি প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য পরিস্থিতি জটিল বা প্রতিকূল করে তোলা হয়, শাসক দলের সম্ভাব্য প্রার্থী বা দলের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীকে দুর্বল করে দেওয়ার জন্য দৃশ্য-অদৃশ্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়, বৈরী ও শাসরুদ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন তো দূরের কথা, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হওয়াও অনিশ্চিত হয়ে যায়। নির্বাচন নিয়ে কথাবার্তা শুরু হওয়ার পর থেকেই যাঁরা সরকারে থাকেন, তাঁদের আগাম নিশ্চিত করতে হয় যে নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য ও প্রশ্নহীন করার ব্যাপারে তাঁরা আন্তরিক।

আমাদের পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে বেশ জোরেশোরেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনপ্রক্রিয়ার সূচনালগ্নেই পরবর্তী নির্বাচন-ভাবনা শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের অভিজ্ঞতাই আগামী নির্বাচন সম্পর্কে নানা বিষয় সামনে নিয়ে এসেছে। দেশে-বিদেশে সবার প্রত্যাশা, বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে।

যেকোনো দেশে একটি নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হতে হলে সব স্টেকহোল্ডার তথা নির্বাচনে অংশগ্রহণেচ্ছু সব রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকালীন সরকারের ভূমিকা যথার্থ হতে হয়। আমাদের দেশের অভিজ্ঞতা আবার ভিন্ন। এ পর্যন্ত কোনো ক্ষমতাসীন দলীয় সরকারই তাদের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন ‘নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের’ কৃতিত্ব দাবি করতে পারে না। তাই নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি উঠেছিল ১৯৯৪ সালে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন তত্কালীন সরকারের আমলে মাগুরা-২ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে সীমাহীন কারচুপির অভিযোগ ওঠে। তত্কালীন সরকারের পছন্দের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফও কারচুপির কথা স্বীকার করেন। আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগের। কোন বুদ্ধিতে ক্ষমতাসীন বিএনপি আসনটি ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পাগল হয়েছিল তা এখনো বুঝে আসে না। অথচ ওই একটি আসন বিএনপির দখলে না আনতে পারলে বিএনপি ক্ষমতা হারাত না। মিরপুর উপনির্বাচন নিয়েও অনেক কথা উঠেছিল। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীর তুমুল আন্দোলনের মুখে খালেদা জিয়ার সরকার নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে বাধ্য হয়। স্বল্পকাল স্থায়ী ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে এসংক্রান্ত বিলটি পাস হয়।

নবম সংসদ নির্বাচনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়েই প্রশ্ন তোলে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। বিএনপি-জামায়াত সরকারই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিবর্ণ করে ফেলে। রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পর সরকার এই মর্মে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ে যে সংবিধানের নির্দেশিত সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নিজেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিজেকে নিয়োগ দেন। যেহেতু তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাই নিজ দলের স্বার্থেই তিনি কাজটি করেছিলেন বলে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও তাদের মিত্ররা অভিযোগ তোলে। অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে বিএনপির দলীয় বিবেচনা প্রাধান্য পেয়েছে বলে বিরোধী দলের উত্থাপিত অভিযোগ বেশ জোরালোভাবেই ধাক্কা দেয় ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের সরকারকে। অর্থাৎ সামনে আসে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সংকট। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে খুব বিশ্রী পন্থায় ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ সরকারকে বিদায় নিতে হয়। নির্বাচনকালীন সরকারের ওপর প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচনে সুবিধা আদায়ের লক্ষ্য নিয়েই যে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান আওয়ামী লীগ সরকার নবম সংসদে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বাতিল করে দিয়েছে, এখন এই অভিযোগে সোচ্চার বিএনপি। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না অভিযোগ করে তারা দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। অবশ্য একটা পর্যায়ে গিয়ে আওয়ামী লীগ তার দলীয় অবস্থান পরিবর্তন করে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব দেওয়ার পর তাতে অংশগ্রহণ না করায় দারুণভাবে বিভিন্ন মহলে বিএনপি সমালোচিতও হয়েছে। তার পরও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের এক কুিসত চেহারাই জনগণের সামনে তুলে ধরেছে। দেশ-বিদেশের মানুষ এখনো তা ভোলেনি বলেই মনে হয়। তাই সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি কেমন হবে।

বলার অপেক্ষা রাখে না যে সর্বত্র সবার আকাঙ্ক্ষা, আগামী নির্বাচনটি সব দলের অংশগ্রহণমূলক একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। সত্য যে যুক্তিযুক্ত কারণে বিএনপি যদি এবারও নির্বাচন বর্জন করে, তাহলে সে নির্বাচন সবার প্রত্যাশার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। তাহলে সে নির্বাচনও গ্রহণযোগ্য হবে না, হবে আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন। সরকার বলছে, আগামী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে। দেশে-বিদেশে যাঁরা বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে উত্সাহী এবং একই সঙ্গে উদ্বিগ্নও—তাঁরা কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করেন যাতে আগামী নির্বাচন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার পূর্ণ হয়। তিনি বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হোক তা আমি চাই না। ’ তিনি যদি না চান তো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করার সাধ্য কারো নেই। অর্থাৎ তিনি তা হতে দেবেন না। এটা জাতির কাছে তাঁর অঙ্গীকারই বলা চলে।

আগেই উল্লেখ করেছি, পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মানে দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। শাসক দল আওয়ামী লীগ এক ধরনের নির্বাচনী কর্মযজ্ঞই শুরু করেছে। এরশাদের জাতীয় পার্টি ঢাকঢোল পিটিয়েই নেমেছে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে। বিএনপি যে একেবারে বসে আছে তা নয়, তারাও প্রাথমিক কাজে হাত দিয়েছে। কিন্তু এখন থেকেই আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রচারের ক্ষেত্রে যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে অন্য সবার সামনেও একই সুযোগ-সুবিধার দুয়ার অবারিত থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী, সরকারের অন্যান্য মন্ত্রী ও বিভিন্ন স্তরের নেতা, এমনকি সম্ভাব্য প্রার্থীরা সভা-সমাবেশ-জনসংযোগ ও দান-অনুদান শুরু করেছেন অবাধে। অন্যদের ক্ষেত্রে একই ধরনের কাজে যদি বাধা-বিপত্তি সৃষ্টি করা হয়, বিরোধী দল বড় সভা-সমাবেশ করার যদি অনুমতি না পায়, তাদের সভা-সমাবেশ যদি পণ্ড করে দেওয়া হয়, তারা কোথাও সভা-সমাবেশ ডাকলে যদি সরকারি দল বা অঙ্গ-সহযোগী দল দিয়ে একই স্থানে একই সময়ে সভা-সমাবেশ ডাকিয়ে প্রশাসনকে ব্যবহার করে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়, নতুন করে মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়ে দেওয়া হয়, পুরনো মামলার জামিন রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে বাতিল করা অথবা ত্রাস সৃষ্টি করা হয়, তাহলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার-লড়ার সমান সুযোগ থেকে বিরোধী দল বঞ্চিত হবে। তাহলে সরকার আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য করতে চায় কি না সে প্রশ্ন উঠবে এবং সন্দেহ জাগবে যে দেশে আরেকটি খারাপ নির্বাচনই বুঝি বা হতে যাচ্ছে। তবে একই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে যে নিজেদের প্রাপ্য সুবিধা বিরোধী দলকে কোনো সরকার ঘরে পৌঁছে দিয়ে যায় না। সরকারের ওপর গণতান্ত্রিক সংগ্রামের চাপ সৃষ্টি করে এসব দাবি আদায় করতে হয়। জনগণকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে হয়। অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাঁচ শ-হাজার লোকের সভা-সমাবেশ-মিছিল গুঁড়িয়ে দিতে পারে, ১০-২০ হাজার লোকের সভা-সমাবেশে হামলা করার সাহস পায় না।

মামলা-মোকদ্দমার ভয়ে নির্বাচন সামনে রেখেও যদি বিরোধীপক্ষ মাঠে না নামে, সরকার যদি তাদের দুর্বলতা বুঝতে পারে যে সরকারকে বিপদগ্রস্ত করার সক্ষমতা বিরোধী দলের নেই, তাহলে যেকোনো সরকারই সুযোগ নেবে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলেছেন তার জন্য সরকারের সদিচ্ছা ও শুভবুদ্ধি যেমন অতিশয় জরুরি, একইভাবে যাঁরা তা চান তাঁদেরও এই বার্তা দিতে হবে যে তাতে ব্যত্যয় ঘটালে সরকারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখন সবারই প্রত্যাশা যে একটি ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। নির্বাচনকালীন প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ক্ষমতাসীন সরকার যদি এখন দলীয় বিবেচনায় সর্বত্র পদায়ন-পোস্টিং করে নিজেদের পছন্দমতো সব কিছু সাজিয়ে রাখে, তাহলে বোঝা যাবে মতলব ভালো নয়। তিন মাসের জন্য যদি সমঝোতার ভিত্তিতে একটি নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে ফয়সালাও হয়, সেই সরকার তখন দলবাজ প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হবে। ফলে নির্বাচন আশানুরূপ হবে না। তাই রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সব কাজে এখন থেকেই একটি অনুকূল ও উদার নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি এবং নির্বাচনপরবর্তীকাল পর্যন্ত তা বজায় রাখতে হবে। একটি ভালো নির্বাচন দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসনের সৌরভ ছড়াবে এবং তাতে জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষিত হবে। উন্নয়নের সুফল পৌঁছবে ঘরে ঘরে।

 

লেখক : সাংবাদিক


মন্তব্য